বুধবার | অক্টোবর ২১, ২০২০ | ৬ কার্তিক ১৪২৭

খবর

শিগগিরই সিনেমা হল খোলার সিদ্ধান্ত: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিগগিরই সিনেমা হল খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী . হাছান মাহমুদ।

বেলজিয়াম সফর শেষে ফিরে গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। সময় সিনেমা হল খোলা প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সিনেমা হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য হল মালিক, পরিচালক, প্রযোজকদের পক্ষ থেকে দাবি আছে। তাদের সঙ্গে মাসের শুরুতে আমি বসেছিলাম। মাসের ১৫ তারিখের পর বৈঠক করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা। খুব সহসাই তাদের সঙ্গে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।

মন্ত্রিপরিষদে সম্ভাব্য রদবদল বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি ছাড়া অন্য কেউ নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা রাখেন না।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক . হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো।

বেলজিয়াম সফর থেকে ফিরে গতকাল সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়েছেবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি কথা বলেন।

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যকে হাস্যকর অভিহিত করে . হাছান বলেন, প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসিতে (দণ্ডবিধি) উল্লিখিত ক্ষমতাবলে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে প্রথমে ছয় মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরো ছয় মাস সেটি বর্ধিত করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের উচিত ছিল মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো। কারণ তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল, তিনি আদালত থেকে জামিন পাননি। কিন্তু তার পরিবর্তে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি না দেখালেই ভালো হতো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্তি দেয়ার পরও বিএনপি নেতাদের কথার কারণে জনগণের পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানোর দাবি উঠতে পারে, শঙ্কাও প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বক্তব্য বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করে না’— প্রসঙ্গে . হাছান মাহমুদ বলেন, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই তো বিএনপির উন্মেষ।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন