বুধবার | অক্টোবর ২১, ২০২০ | ৬ কার্তিক ১৪২৭

খবর

হাটহাজারী মাদরাসা চত্বরে আহমদ শফীর মরদেহ

বণিক বার্তা অনলাইন

হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মরদেহ হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় এসে পৌঁছেছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মরদেহ বহন করা গাড়িটি ঢাকা থেকে মাদরাসায় এসে পৌঁছায়।

এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আহমদ শফী। তার মরদেহ দেখার জন্য জোহরের নামাজের আগ পর্যন্ত এখানে রাখা হবে বলে জানিয়েছে মাদরাসার শুরা কমিটি। জোহরের নামাজের পর মাদরাসা মাঠেই তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মাদরাসা ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বায়তুল আতিক জামে মসজিদের সামনের কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হবে।

এদিকে শাহ আহমদ শফীর জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লোকজন চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদরাসায় আসছেন। আজ সকাল থেকে লোকজনের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায় মাদ্রাসার মাঠ। লোকসমাগম বেড়ে যাওয়ায় হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সেখান থেকে হেঁটে লোকজন মাদরাসায় যাচ্ছেন। 

অন্যদিকে নাজিরহাট সড়কে দিয়ে আসা লোকজনও হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেট পর্যন্ত আসতে পারছেন। সেখান থেকে হেঁটে মাদরাসায় আসতে হচ্ছে। মাদরাসার এক কিলোমিটার দূর থেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর জানাজা ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে চট্টগ্রামের হাটহাজারীসহ চার উপজেলায় বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। তদারকিতে থাকবেন সাত ম্যাজিস্ট্রেট। হাটহাজারীতে চারজন এবং বাকি তিনজন থাকবেন তিন উপজেলায়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর আহমদ শফীর হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে পদত্যাগ এবং তার ছেলে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসা থেকে বহিষ্কারসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে দারুল উলুম হাটহাজারীর ছাত্ররা আন্দোলন শুরু করে। দুপুর থেকে এ আন্দোলন শুরু হয়, রাত্রে আনাস মাদানীকে বহিষ্কার করা হয় এবং ১৭ সেপ্টেম্বর আহমদ শফী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর পরই বৃহস্পতিবার আল্লামা শফীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে শুক্রবার তাকে ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন