শনিবার | সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০ | ১১ আশ্বিন ১৪২৭

শেষ পাতা

সংসদীয় কমিটির বৈঠক

ভাঙনপ্রবণ এলাকায় সরকারি স্থাপনা স্টিল স্ট্রাকচারে নির্মাণের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় সরকারি স্থাপনা স্টিল স্ট্রাকচারে স্থাপনা নির্মাণের সুপারিশ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। জাতীয় সংসদ ভবনে গতকাল অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি এবি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য দুর্যোগ ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান, মো. আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মজিবুর রহমান চৌধুরী কাজী কানিজ সুলতানা অংশ নেন।

বৈঠকে মাদককে সামাজিক বিপর্যয় বিবেচনা করে এটিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের আওতায় আনারও সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি সাংবাদিকদের বলেন, কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। মাদক আমাদের বড় একটি সামাজিক সমস্যা। মাদক নিরাময় কেন্দ্রে মাঝে মাঝে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ত্রাণ সাহায্য দেয়া হয়, সে হিসেবে আলোচনা এসেছে।

এছাড়াও বৈঠকে দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তাকারী স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মানী ভাতা দেয়ার সুপারিশ করা হয়। সেক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের ওপর ভিত্তি করে ভাতা পরিশোধের কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মানী ভাতা দিতে হলে সে বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা দরকার। লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় একটি কমিটিও করেছে।

এক খসড়া হিসাবের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তাকারী স্বেচ্ছাসেবকরা ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় কাজ করে থাকেন। দক্ষিণাঞ্চলের ১৩ জেলায় কার্যক্রম চলে। বছরে দুটি করে ঘূর্ণিঝড়ের ঘটনা ঘটলে প্রতিবারের জন্য পাঁচদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবকদের থাকা-খাওয়া, যাতায়াত, মোবাইল ফোন খরচ বাবদ বার্ষিক প্রয়োজন পড়বে প্রায় ৩৭ কোটি লাখ টাকা। ২০১৮ সাল থেকে প্রতি বছর ৮০-৮৪ জন স্বেচ্ছাসেবককে তাদের কাজের জন্য পুরস্কৃত করা হচ্ছে বলেও বৈঠকে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বৈঠকে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রকল্পে (৪০ দিনের কর্মসূচি) ২০০ টাকার পরিবর্তে একজন শ্রমিকের দৈনিক মজুরি বাড়িয়ে ন্যূনতম ৫০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়। সময় কমিটির পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলোর মেরামত কাজ অক্টোবর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করার তাগিদ দেয়া হয়। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবেলায় মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বাড়ানোরও সুপারিশ করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন