শনিবার | সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০ | ১১ আশ্বিন ১৪২৭

টকিজ

বন্ড এমন প্রতিদ্বন্দ্বী আগে কখনো দেখেনি!

ফিচার ডেস্ক

অস্কারজয়ী অভিনেতা রামি মালেক মূলত বোহেমিয়ান র্যাপসডি-তে তার অসাধারণ অভিনয়ের জন্য ব্যাপক আলোচিত হয়েছেন। তবে এবার একেবারে নেতিবাচক চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি। সেটাও আবার জেমস বন্ডের বিপরীতে। সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে তিনি বর্ণনা করেছেন জেমস বন্ডের আসন্ন ছবি নো টাইম টু ডাই-তে একজন ভয়ংকর খল চরিত্র হিসেবে কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন।

ছবিতে বন্ড ভিলেন সাফিনের চরিত্রে থাকছেন রামি মালেক। চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, বন্ড আমি দুজনেই মানুষ হত্যা করি পৃথিবীকে আরো সুশৃঙ্খল রাখার জন্য। তবে আমি চেয়েছি সাফিন চরিত্রটি যেন আরো ভয়ংকর, ক্রুর হয়। তবে খল চরিত্রে অভিনয় করলেও সাফিন নিজেকে নায়কই মনে করে। বিষয়টি নিয়ে রামি মালেক বলেন, সাফিন নিজেকে একজন নায়কই মনে করে। তবে একই সঙ্গে সে বন্ডের বিপরীতে একজন ভয়ংকর প্রতিদ্বন্দ্বী। এমনকি বন্ড নিজেই তা দেখে তাজ্জব বনে যায়।

ড্যানিয়েল ক্রেগ ছবিতে জেমস বন্ডের ভূমিকায় অভিনয় করবেন। বন্ড ভক্তরা ক্রেইগ আর মালেকের দ্বন্দ্ব দেখার জন্য অধির আগ্রহে রয়েছেন। ছবির পরিচালক ক্যারি ফুকুনাগা এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন জেমস বন্ড এমন প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি আগে কখনো হয়নি। ঘোষণা ভক্তদের আশা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া ছবির ট্রেইলার এবং পোস্টার দেখেও ধারণা পাওয়া যায় সাফিন চরিত্রটি কতটা ভয়ংকর রহস্যময় হতে যাচ্ছে।

নো টাইম টু ডাই ছবির প্রযোজক বারবারা ব্রকলি সাফিন চরিত্রকে জেমস বন্ডের জন্য অভিশাপ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, সে আসলেই ভয়ংকর একটা চরিত্র। রামি অসাধারণভাবে তা ফুটিয়ে তুলেছে। সাফিন বন্ড দুজনই যখন নিজেকে নায়ক হিসেবে মনে করছে, তখন তাদের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বীতাও বেশ উপভোগ্যই হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নো টাইম টু ডাই ছবির পরিচালক ক্যারি ফুকুনাগা বলেন, রামি যা চেয়েছে এবং যেভাবে অভিনয় করেছে ছবিতে সেটাই ওর চরিত্রকে আরো ভয়ানক করে তুলেছে। বন্ডকে একজন অসাধারণ খল চরিত্রের সঙ্গে লড়তে হয়েছে।

প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত ছবিটি বছর ১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যে এবং ২০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি দেয়ার তারিখ আপাতত নির্ধারিত আছে। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে তা পেছাতেও পারে। যুক্তরাষ্ট্রে এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে প্রেক্ষাগৃহ খুলে দেয়া হয়েছে এবং অন্যান্য রাজ্যেও খুলে দেয়ার পরিকল্পনা চলছে। যুক্তরাজ্য, ইউরোপেও জীবনযাপন অনেক স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

 

সূত্র: পিংকভিলা

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন