সোমবার | সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ | ৫ আশ্বিন ১৪২৭

শিল্প বাণিজ্য

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে রাষ্ট্রদূত

বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করতে প্রস্তুত আলজেরিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী আলজেরিয়া। দুই দেশের বাণিজ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৭৩ সালে একটি চুক্তি হলেও মুহূর্তে উভয় দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ খুবই কম। এজন্য বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশের সঙ্গে এফটিএ অথবা পিটিএ চুক্তি করতে আলজেরিয়া প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবি। গতকাল বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠককালে এমনটি জানান আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবি। সময় বাণিজ্য সচিব . মো. জাফর উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

জুম প্লাটফর্মে আয়োজিত বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রাবাহ লারবি বলেন, উভয় দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আলজেরিয়ায় বাংলাদেশের বেশকিছু পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিষয়ে উদ্যোগ নিয়ে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে চায় আলজেরিয়া।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আলজেরিয়া বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। বাণিজ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৭৩ সালে উভয় দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল। বাংলাদেশ আলজেরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। উভয় দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এফটিএ অথবা পিটিএ স্বাক্ষর করা হবে। একই সঙ্গে ১৯৭৩ সালে সম্পাদিত চুক্তির কোনো বিষয় প্রয়োজন হলে সংশোধন করা হবে।

উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সুযোগকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রফতানি বাণিজ্যে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রফতানিতে পৃথিবীর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। আলজেরিয়ায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, পাট চামড়া জাত পণ্য, তামাক ফার্নিচারের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ এগুলো আলজেরিয়ায় রফতানি বৃদ্ধি করতে চায়। উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। কভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সময় বাণিজ্যমন্ত্রী আলজেরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে আলজেরিয়ায় রফতানি হয়েছে দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাংলাদেশী পণ্য এবং একই সময়ে আমদানি হয়েছে ৯০ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন