শনিবার | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০ | ৪ আশ্বিন ১৪২৭

আন্তর্জাতিক খবর

নিউজিল্যান্ডে বাড়ছে স্থানীয় সংক্রমণ , আরো ১৪ করোনা পজিটিভ

বণিক বার্তা ডেস্ক

তিন মাসেরও বেশি সময় করোনামুক্ত থাকার পর এক পরিবারে চারজন কভিড-১৯-এ পজিটিভ শনাক্ত হওয়ায় লকডাউন ঘোষণা করা হয় নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম শহর অকল্যান্ডে। আজ বৃহস্পতিবার সেখানে আরো ১৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করার খবর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, আরো সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বে যে গুটিকয় দেশ সফল হয়েছে তাদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড অন্যতম। তাদের কর্মপন্থা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। যদিও তাদের সেই সফলতা এখন খানিকটা হুমকির মুখে পড়ল। 

নিউজিল্যান্ড স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক ড. অ্যাশলে ব্লুমফিল্ড আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, আরো সংক্রমণের খবর পাওয়া যাবে।’

নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘কভিডের প্রথম দিককার অভিজ্ঞার আলোকে আমরা বলতে পারি, যখন কোনো গুচ্ছের দেখা আপনি পাবেন তখন এটি কমার আগে বাড়তে থাকে। আমরা মনে করি, এখানেও তেমনটি ঘটতে পারে। আমরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি। এটা জরুরি পরিস্থিতি, যদিও আমাদের শান্ত থেকে সঠিক পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে।’

নতুন ১৪টি সংক্রমণের মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবগুলোই স্থানীয় পর্যায়ে ঘটেছে। মাত্র একজন সম্প্রতি ফিলিপাইন থেকে ঘুরে আসা এক নারী, তিনি আইসোলেশনে রয়েছেন। 

ব্লুমফিল্ড জানান, নতুন সংক্রমণের মধ্যে একজন স্কুল শিক্ষার্থীও রয়েছে। তার সঙ্গে অবশ্য অন্য সংক্রমিত ব্যক্তির পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে।

গত সপ্তাহের শেষ দিকে একশ দিনেরও বেশি সংক্রমণমুক্ত পরিস্থিতি ধরে রাখে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু চলতি সপ্তাহেই স্থানীয় সংক্রমণ নতুন করে শঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। গত মঙ্গলবার স্থানীয় পর্যায়ে চারজনের দেহে সংক্রমণের খবর দেয় নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ। নতুন ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনেরই ওই পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।  

এদিকে ১৯ সেপ্টেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে। যদিও নতুন করে সংক্রমণ বাড়ায় নির্বাচন অনিশ্চিত। আরডার্ন অবশ্য এখনো নির্বাচন স্থগিত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেননি।

নিউজিল্যান্ডে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মানুষের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, মারা গেছে ২২ জন।

সূত্র: বিবিসি ও সিএনএন

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন