শনিবার | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০ | ৪ আশ্বিন ১৪২৭

শিল্প বাণিজ্য

সামিট টেকনোপলিসে প্লাজমা বিশ্লেষণ প্লান্ট স্থাপন করবে ওরিক্স

নিজস্ব প্রতিবেদক

চীনের ওরিক্স বায়োটেক হোল্ডিংসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ওরিক্স বায়োটেক লিমিটেড বাংলাদেশে বায়োটেক খাতে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিনিয়োগের জন্য সামিট টেকনোপলিস বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশে প্রথম বায়োটেকনোলজিবিষয়ক বিনিয়োগ হিসেবে ওরিক্স তাদের প্লাজমা বিশ্লেষণ প্লান্ট স্থাপন করবে সামিট টেকনোপলিসের ব্লক-০২-এ। প্লান্টটি প্লাজমা ডেরিভেটিভস উৎপাদন করবে, যা জীবন রক্ষাকারী ওষুধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

গত মঙ্গলবার অনলাইনে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, ভাইস চেয়ারম্যান লতিফ খান, ফরিদ খান, জাফর উম্মিদ খান, সামিট গ্রুপের পরিচালক আয়েশা আজিজ খান, আজিজা আজিজ খান, ফাদিয়া খান, সালমান খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং চীন থেকে যুক্ত হন ডেভিড বো এবং তার সহকর্মীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কভিড-১৯-এর সম্ভাব্য চিকিৎসায় প্লাজমার চাহিদা থাকায় এটি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য গবেষণা সেবা খাতগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়োপযোগী বিনিয়োগ। এই প্রকল্পে দুই হাজার দক্ষ বিজ্ঞান স্নাতকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া এখানে অ্যালবুমিন, ইমিউনোগ্লোবিন, কোয়াগুলেশন ফ্যাক্টর- ইত্যাদির মতো থেরাপিউটিকস উৎপাদন শুরু হবে।

বিষয়ে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান বলেন, সামিট টেকনোপলিসের বরাদ্দকৃত ২৫ একর জমি এবং ভবনে দেশের প্রথম বৃহত্তম বায়োটেক শিল্প খাতে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই বিনিয়োগ কার্যকর করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বর্ণিল বছরে এটি অত্যন্ত সন্তোষজনক ব্যাপার যে এই প্লাজমা ফ্রাকশানেশন প্লান্টটি বাংলাদেশের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

উল্লেখ্য, সামিট টেকনোপলিস সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) কালিয়াকৈরের গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির ৯১ একর জায়গায় তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তিসংবলিত সেবাগুলো (আইটিইএস), দূষণমুক্ত ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসেম্বলি লাইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে। সামিট টেকনোপলিস জায়গার নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, সরকারের কাছে নিজস্ব পরিচালনা স্থানান্তরের শর্তের অধীনে ৬০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন