বৃহস্পতিবার | সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ | ৯ আশ্বিন ১৪২৭

শেষ পাতা

সিমিউই-৫ সংযোগ কেবল বিচ্ছিন্ন

সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের (সিমিউই-) পাওয়ার কেবল কাটা পড়েছে। ফলে সারা দেশে ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। গতকাল বেলা ১১টার দিকে পটুয়াখালীতে সাবমেরিন কেবল--এর ল্যান্ডিং স্টেশনের প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে পাওয়ার অপটিক্যাল ফাইবার কেবল কাটা পড়ে। কেবল মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল)

বিএসসিসিএল সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটায় স্থানীয় লোকজন এক্সক্যাভেটর দিয়ে বালি তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের পাওয়ার সাপ্লাই কেবল অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। লাইন মেরামতে কাজ চলছে। ল্যান্ডিং স্টেশন এলাকায় খারাপ আবহাওয়া থাকায় মেরামতে সময় লাগছে।

দেশে বর্তমানে দশমিক ৭৫ টিবিপিএস (টেরাবিটস পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার হয়। এর অর্ধেকই আসে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল দিয়ে।

বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান জানান, এক্সক্যাভেটর দিয়ে বালি তুলতে গিয়ে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের পাওয়ার সাপ্লাই অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে স্থানীয় লোকজন। এটি মেরামতের কাজ চলছে।

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের পাওয়ার কেবল কাটা পড়েছে। সাবমেরিন কেবল- আইটিসি দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে। এতে ইন্টারনেটের গতি কমেছে। এটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ব্যান্ডউইডথ কমেছে ৪০-৫০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবলসিমিউই-’- যুক্ত হয় আর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সিমিউই- সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়। এটির মাধ্যমে আরো হাজার ৫০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অপারেটর গ্রুপের (বিডিনগ) বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ সাবির জানান, সমুদ্র তলদেশে কাটা পড়লে মেরামতে সময় লাগে অনেক বেশি। আর অনশোরে সংযোগ কেবল মেরামতের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম সময় প্রয়োজন। যেসব প্রতিষ্ঠান কেবলের ব্যান্ডউইডথের ওপর বেশি নির্ভরশীল, তাদের গ্রাহকদের সেবা ব্যাহত হচ্ছে বেশি। কেবল মেরামত না হওয়া পর্যন্ত সমস্যা থাকবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন