শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২০ | ১০ আশ্বিন ১৪২৭

শেয়ারবাজার

ওয়ালটনের আট দিনের আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরু

বণিক বার্তা ডেস্ক

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার ইস্যুর প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আজ থেকে কোম্পানিটির আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরু হয়েছে। তা চলবে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭২৯তম কমিশন সভায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে কাট-অফ প্রাইস বা প্রান্তসীমা মূল্যের চেয়ে ২০ শতাংশ কম দরে কোম্পানিটির শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

বিএসইসি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ১০০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩টি সাধারণ শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৭টি শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে তাদের নিজেদের বিডিংকৃত মূল্যে ইস্যু করা হবে। যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য ৩১৫ টাকা নির্ধারণ করেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে  ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৬ টি শেয়ার এ মূল্যের ২০ শতাংশ কম দরে অর্থাৎ ২৫২ টাকায় ইস্যু করা হবে।

এর আগে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে প্রান্তসীমা মূল্যের ১০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ কমে শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। এ বিষয়ে অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির পক্ষ থেকে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছিল।

চলতি বছরের ২ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ৫ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা ওয়ালটনের শেয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য নির্ধারণে ইলেকট্রনিক বিডিং অনুষ্ঠিত হয়। বিডিংয়ে কোম্পানিটির প্রান্তসীমা মূল্য নির্ধারিত হয় ৩১৫ টাকা। পাবলিক ইস্যু রুলস অনুসারে প্রান্তসীমা মূল্যের ১০ শতাংশ কম দরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার ইস্যু করা হয়ে থাকে। সে হিসাবে ২৮৩ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ওয়ালটনের শেয়ার পাওয়ার কথা ছিল।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি বিএসইসির ৭১৪তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও বিডিং অনুমোদিত হয়। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকার মধ্যে ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিএমআরই, ৩৩ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও সাড়ে ৪ কোটি টাকা আইপিও প্রক্রিয়ার খরচ নির্বাহে ব্যয় করবে তারা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা, পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া যা ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা। গত পাঁচ বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ভারীত গড় হারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৮ টাকা ৪২ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ট্রিপল এ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন