মঙ্গলবার | সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ | ১৪ আশ্বিন ১৪২৭

শেয়ারবাজার

রোববার থেকে ওয়ালটনের আইপিও সাবস্ক্রিপশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার ইস্যুর জন্য আগামীকাল রোববার (৯ আগস্ট) থেকে সাবস্ক্রিপশন শুরু হচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স কোম্পানি ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের। চলবে ১৬ আগষ্ট পর্যন্ত।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭২৯ তম কমিশন সভায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে কাট অফ প্রাইস বা প্রান্তসীমা মূল্যের চেয়ে ২০ শতাংশ কমে কোম্পানিটির শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। 

বিএসইসি ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে ১০০ কোটি টাকার মূলধন উত্তোলনের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩টি সাধারণ শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৭টি শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে তাদের নিজেদের বিডিংকৃত মূল্যে ইস্যু করা হবে। যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারের কাট অফ প্রাইস ৩১৫ টাকা নির্ধারণ করেছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে  ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৬ টি শেয়ার কাট অফ প্রাইসের ২০ শতাংশ কমে অর্থ্যাৎ ২৫২ টাকায় ইস্যু করা হবে।

এর আগে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বৃহত্তর স্বার্থে ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে কাট অফ প্রাইসের ১০ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ কমে শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের পর্ষদ। এজন্য কোম্পানিটির পক্ষ থেকে কাট অফ প্রাইসের ২০ শতাংশ কমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৬টি শেয়ার ইস্যুর জন্য কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছিল।

এ বছরের ২ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ৫ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা ওয়ালটনের শেয়ারের কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণে ইলেকট্রনিক বিডিং অনুষ্ঠিত হয়। বিডিংয়ে কোম্পানিটির কাট অফ প্রাইস নির্দারিত হয় ৩১৫ টাকা। পাবর্লিক ইস্যু রুলস অনুসারে কাট অফ প্রাইসের ১০ শতাংশ কমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার ইস্যু করা হয়ে থাকে। সে হিসেবে ২৮৩ টাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ওয়ালটনের শেয়ার পাওয়ার কথা ছিল। 

প্রসঙ্গত, এ বছরের ৭ জানুয়ারি বিএসইসির ৭১৪তম কমিশন সভায় কোম্পানিটির আইপিও বিডিং অনুমোদিত হয়। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকার মধ্যে ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকায় বিএমআরই, ৩৩ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও সাড়ে ৪ কোটি টাকা আইপিও প্রক্রিয়ার খরচ নির্বাহে ব্যয় করবে তারা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা, পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া যা ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা। গত পাঁচ বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ভারিত গড় হারে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২৮ টাকা ৪২ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনা দায়িত্বে রয়েছে ত্রিপল এ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন