সোমবার | সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ | ৬ আশ্বিন ১৪২৭

খবর

পুলিশ হেফাজতে টেকনাফের ওসি প্রদীপ কুমার, নেয়া হচ্ছে আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি কক্সবাজারের টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রত্যাহারকৃত) প্রদীপ কুমার দাসকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশের বিশেষ শাখা তাকে হেফাজতে নেয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে প্রদীপ কুমার দাসকে  হেফাজতে নেয়ার পর পুলিশের বিশেষ শাখার একটি গাড়িতে করে তাকে কক্সবাজারে আদালতের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আদালতে তার আত্মসমর্পণ করার কথা রয়েছে বলেও নির্ভরযোগ্য এই সূত্রটি জানায়।

গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার না করলেও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান জানান, হত্যা মামলার আসামি প্রদীপ কুমার যাতে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য পুলিশ পাহারায় তাকে আদালতে নেয়া হচ্ছে। 

প্রদীপ কুমার দাশ ২০১৯ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) পান। এর আগে একাধিকবার রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে উপপরিদর্শক যোগ দেয়া প্রদীপ পদোন্নতি পেয়ে ২০১৮ সালে ওসি হিসেবে টেকনাফ থানায় যোগদেন। এরপর একের পর এক কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে টেকনাফে। সে সময় থেকেই এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের হওয়ার পরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। মামলা নম্বর সিআর: ৯৪/২০২০ (টেকনাফ)। দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন, টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ (৪৮), বাহারছরা শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী (৩১), উপপরিদর্শক নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, সহাকারী উপপরিদর্শক লিটন মিয়া, উপপরিদর্শক টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা।

চট্টগ্রাম পুলিশ জানায়, কক্সবাজার পুলিশলাইন্সে থাকা মামলার অন্য আসামিরাও আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। এরই মধ্যে তারা আদালতের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন