শনিবার | সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০ | ১১ আশ্বিন ১৪২৭

শেয়ারবাজার

এমবিএলের ২০তম এজিএম

গত অর্থবছরের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ২৬৫ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড (এমবিএল) ২০১৯-২০ অর্থবছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা করেছে ২৬৫ কোটি টাকা। সময়ে কোম্পানির মোট আয় হয়েছে ৯৮০ কোটি টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৪ দশমিক শূন্য টাকা। গত বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এসব তথ্য জানানো হয়।

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সৌগতা গুপ্ত সভাপতিত্ব করেন। সভায় ম্যারিকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশীষ গোপাল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে সঞ্জয় মিশ্রা, ভিভেক কারভে এবং স্বতন্ত্র পরিচালক মিসেস রোকিয়া আফজাল রহমান, মাসুদ খান, আশরাফুল হাদিসহ কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল মাধ্যমে করা সভায় বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন। সভায় কোম্পানির পক্ষ থেকে উপস্থাপিত সব এজেন্ডা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। এজিএমে অনুমোদিত উল্লেখযোগ্য এজেন্ডাগুলো ছিল কোম্পানির পরিচালকমণ্ডলীর প্রতিবেদন অনুমোদন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের নিরীক্ষিত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট বা নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন, ম্যারিকো বাংলাদেশের অনুমোদিত মোট লভ্যাংশের ঘোষণা, পরিচালকদের নির্বাচন/পুনর্নির্বাচন, স্বতন্ত্র অডিটর বা নিরীক্ষক নিয়োগ অনুমোদন।

এজিএমে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২০ টাকা হারে) অনুমোদন করা হয়েছে। এছাড়া গত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ৭৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৭৫ টাকা) ঘোষণা বিতরণ করেছে। ফলে গত ৩১ মার্চ সমাপ্ত অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের অনুমোদিত মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫০ শতাংশ (প্রতি শেয়ারে ৯৫ টাকা)

সভায় বক্তব্য প্রদানকালে ম্যারিকো বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৌগতা গুপ্ত কোম্পানির কার্যক্রমের সফলতা তুলে ধরে বলেন। সভায় জানানো হয়, গত অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশ কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ডিউটি বা শুল্ক বাবদ সরকারের কোষাগারে মোট ৩২৭ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। আলোচ্য বছরেও ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড সরকার ইউএনডিপির সঙ্গে মিলিতভাবে স্বপ্ন প্রোগ্রাম অব্যাহত রাখার মাধ্যমে তার সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছে।

এছাড়া করোনা মহামারী চলাকালীন কোম্পানি জনস্বার্থ বিবেচনায় বাজারে এনেছে মেডিকার সেইফ লাইফ হ্যান্ড স্যানিটাইজার হ্যান্ডওয়াশ, যার প্রথম ছয় মাসের মুনাফা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রদানের অঙ্গীকার করেছে কোম্পানিটি।

উল্লেখ্য, এমবিএল হচ্ছে শীর্ষস্থানীয় এফএমসিজি এমএনসি কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। বর্তমানে বাংলাদেশে সৌন্দর্য সুস্বাস্থ্য খাতের পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে এমবিএল একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত নাম। ২০০৯ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এটি প্রতিষ্ঠানটির ১১তম এজিএম।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন