মঙ্গলবার | আগস্ট ১১, ২০২০ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭

খবর

ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান শেষ

১০ দিনে ২১ লাখ টাকার বেশি জরিমানা আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে জুলাই শুরু হওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১০ দিনব্যাপী দ্বিতীয় দফা চিরুনি অভিযান গতকাল শেষ হয়েছে। এই ১০ দিনে লাখ ৩০ হাজার ৯৭৭টি বাড়ি, স্থাপনা নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ৮৯৮টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৭৮ হাজার ১৩০টি স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় এই ১০ দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৬৮টি মামলায় ২১ লাখ ৬৮ হাজার ১০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ডিএনসিসি জানায়, গতকাল চিরুনি অভিযানের দশম দিনে ১১ হাজার ৯৩৪টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ৪৮টিতে লার্ভা এবং হাজার ৭৯৪টিতে এডিসের বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সময় ১৭টি মামলায় লাখ ৪৫ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর মধ্যে উত্তরা অঞ্চলে ৯৭০টি বাড়ি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১২টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৮২৭টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় আটটি মামলায় ৩১ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

মিরপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-) হাজার ৩৮৪টি স্থাপনা পরিদর্শন করে দুটিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৩৭৮টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে একটি মামলায় ১০ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

মহাখালী অঞ্চলে হাজার ৪৩৩টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৭টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৭৪৫টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ছয়টি মামলায় ৯৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-) হাজার ৩৭২টি বাড়ি স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়। কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি, তবে ৭৫৩টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

কারওয়ান বাজার অঞ্চলে হাজার ৯২৩টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে আটটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া হাজার ৫৮৭টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এখানে দুটি মামলায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

হরিরামপুর অঞ্চলে হাজার ১০৩টি বাড়ি স্থাপনা পরিদর্শন করে একটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৯১০টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

দক্ষিণখান অঞ্চলে মোট ৮৩১টি বাড়ি স্থাপনা পরিদর্শন করে তিনটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৬৩৪টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

উত্তরখান অঞ্চলে ৬৭০টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে একটি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা ৪০৫টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন