বৃহস্পতিবার | আগস্ট ১৩, ২০২০ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭

খবর

অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি

লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

নিজস্ব প্রতিবেদক

অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাবেচার ক্ষেত্রে লেনদেনে স্বচ্ছতা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, যেহেতু কেনাবেচায় বড় আকারের লেনদেনের বিষয়টি জড়িত, তাই মনিটরিং করতে হবে যাতে করে ক্রেতা বা বিক্রেতা কোনোভাবেই প্রতারণার শিকার না হন। অনলাইনের বাজার বিশ্বাস আস্থার ওপর নির্ভরশীল। সে কারণে কেনাবেচা সহজতর এবং ক্রেতা-বিক্রেতাবান্ধব করতে হবে। গতকাল সংসদ ভবন এলাকার সরকারি বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় পশুর হাট বসানো এবং মানুষের ঈদযাত্রা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। করোনাভাইরাস বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কয়েকটি জেলায় পশুর হাট না বসানোর পরামর্শ দিয়েছেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরামর্শ খুবই প্র্যাগমেটিক এবং বাস্তবায়ন সম্ভব হলে ভালো ফল বয়ে আনবে নিঃসন্দেহ।

তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের বাস্তবতা ভিন্ন, একদিকে সংক্রমণ রোধ অন্যদিকে জীবনের অনিবার্য প্রয়োজনীয়তা দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় করে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে হবে। এরই মাঝে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন পশুর হাট সীমিত করার কথা বলেছে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনও বসছে বিষয়ে। আমি দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসহ মাঠ প্রশাসনকে অনুরোধ জানাব, সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে সীমিত সংখ্যক পশুর হাট অনুমতি দিন।

সড়ক-মহাসড়কের পাশে পশুর হাট না বসানোর নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত্রতত্র পশুর হাট বসানো যাবে না। সড়ক-মহাসড়ক কিংবা পাশে অনুমতি দেয়া যাবে না। কেনাবেচায় কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে। পশুর হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনলে কেনাবেচায় বাড়তি চাপ তৈরি হবে। বাড়তি চাপ মোকাবেলায় ডিজিটাল প্লাটফর্ম হতে পারে বিকল্প। তাই অনলাইনে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় জনপ্রিয় করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

সরকার ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগুচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, একদিকে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি, অন্যদিকে বন্যা, তার পাশাপাশি কোরবানির পশুরহাট। ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জ নিয়ে সরকার জনমানুষের জন্য কাজ করছে। জীবন-জীবিকার পাশাপাশি মানুষের সুরক্ষায় গ্রহণ করছে নানামুখী পদক্ষেপ। প্রতিদিন অসহায় কর্মহীন মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামে যাওয়ার ছবি আসছে পত্রিকার পাতায়। জাতীয় জীবনে এমন চ্যালেঞ্জিং সময়ে আমাদের প্রয়োজন পারস্পরিক শেয়ারিং এবং কেয়ারিং। আমরা একে অপরের প্রতি সহমর্মী হলে প্রতিবেশীর প্রতি আন্তরিক হলে নিশ্চয়ই অমানিশার আঁধার কেটে যাবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন