শুক্রবার | আগস্ট ০৭, ২০২০ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৭

খবর

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের মৃত্যু আজ দাফন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন (৭৭) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন) গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২৫ মিনিটে তিনি থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।

গতকাল আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, বনানী কবরস্থানে ওনার বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম জানান, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী বনানী মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ১১টায় নামাজে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে শায়িত হবেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা শোকপ্রকাশ করেছেন।

জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় গত জুন সাহারা খাতুন ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে গত ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। এরপর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে গত ২২ জুন দুপুরে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে স্থানান্তর করা হয়। ২৬ জুন সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে আবার তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। অসুস্থ সাহারা খাতুনকে জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সাহারা খাতুন ১৯৪৩ সালের মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল আজিজ মাতার নাম টুরজান নেসা। শিক্ষাজীবনে তিনি বিএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং রাজনীতির পাশাপাশি আইন পেশায় নিযুক্ত ছিলেন।

ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে নাম লেখান। আইন পেশায় আসার পর সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।

সাহারা খাতুন একাদশ জাতীয় সংসদেরও একজন সদস্য ছিলেন। ঢাকা-১৮ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ডাক টেলিযোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন