বৃহস্পতিবার | আগস্ট ০৬, ২০২০ | ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

খবর

১১ মাসে ৪৪ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের পিপিই রফতানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ৪৪ কোটি ৬৭ লাখ ইউএস ডলারের বেশি পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) রফতানি করেছে বাংলাদেশ। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে তথ্য জানা গেছে।

ইপিবির হিসাবমতে, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পিপিই রফতানি হয়েছে ৪৪ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে পুরো শরীর আবরিত করার প্লাস্টিক জাতীয় পরিধেয় থেকে। দুই ক্যাটাগরিতে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য আলাদাভাবে তৈরি পণ্য রফতানি হয়েছে ৩২ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার ডলারের।

পিপিই রফতানিতে এর পরের অবস্থানে আছে চিকিৎসা প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম (মেডিকেল প্রটেকটিভ গিয়ার) চারটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে খাতে রফতানি হয়েছে কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার ডলারের পণ্য। এছাড়া কোটি ৫২ লাখ ৬০ হাজার ডলারের তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক, কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার ডলারের অন্যান্য মাস্ক সার্জিক্যাল আইটেম এবং ৬৮ লাখ ৪০ হাজার ডলারের মেডিকেল সার্জিক্যাল ব্যবহারের সুরক্ষা গার্মেন্ট পণ্য রফতানি হয়েছে।

পিপিই প্রস্তুতকারকরা জানান, পিপিই তৈরি করতে যে ফ্যাব্রিকস ব্যবহার করা হয় তার একটি নির্দিষ্ট মেডিকেল গ্রেড রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মান বজায় রেখে এই পিপিই প্রস্তুত করতে হয়। এসব ফ্যাব্রিকস মূলত চীন থেকে আমদানি করতে হয়। আবার পিপিই পোশাক তৈরির জন্য কারখানাগুলোকে বিশেষ ধরনের মেশিনারিজও ব্যবহার করতে হচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে বিশ্ববাজারে চাহিদার প্রেক্ষাপটে পিপিই রফতানি সময়ে টিকে থাকার ভালো বিকল্প বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া এসবের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি উন্নয়ন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন খাতের উদ্যোক্তারা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশী কারখানায় পিপিই তৈরির জন্য উদ্যোক্তাদের নানামুখী পদক্ষেপ চলমান আছে জানিয়ে খাতকে আরো সম্প্রসারণ করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় বাড়ানোর কথা বলছেন তারা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, পিপিইর মতো সুরক্ষা উপকরণগুলো রফতানিতে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে সরকার। নিয়ে কাজও শুরু হয়েছে। যেহেতু এরই মধ্যে খাতে ভালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, সুতরাং অবস্থায় কোনো গাফিলতির কারণে সুযোগ হাতছাড়া না করতে সরকার সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বিষয়ে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান বণিক বার্তাকে বলেন, বর্তমান সময়ে পিপিই মাস্ক, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট জাতীয় পণ্যগুলোর রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে। দিন দিন নতুন নতুন রফতানি চাহিদাও আসছে। তবে এটা বিশেষ একটা প্রেক্ষাপটের ফল।

সময়ের সম্ভাবনাটুকু কাজে লাগানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখে দেশের রফতানি আয় বাড়িয়ে নেয়াটাকে ইতিবাচক উল্লেখ করলেও কোনোভাবেই করোনাভাইরাসের প্রকোপ বিশ্বব্যাপী বেড়ে চলুকএমন প্রত্যাশা করেন না বলে জানান তিনি।

 

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন