বৃহস্পতিবার | আগস্ট ০৬, ২০২০ | ২২ শ্রাবণ ১৪২৭

শেয়ারবাজার

গ্রাহকের ১৮ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রাহকের ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল্লাহ। এর বাইরে মুনাফা দেয়ার কথা বলে ৩০-৩৫ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। গতকাল সোমবার শহিদুল্লাহ দম্পতিকে গ্রেফতারের পর আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ মূলত স্টক ব্রোকারেজ হাউজ। রাজধানীর পল্টন ও জনসন রোডে দুটি এক্সটেনশন অফিস ছাড়াও প্রগতি সরণি, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লায় তাদের শাখা অফিস রয়েছে। ব্রোকারেজ হাউজটির অধীনে ২২ হাজারের মতো অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাতে যে শেয়ার রয়েছে, তার বাজারমূল্য ১০০ কোটি টাকা।

গ্রেফতার অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া ডিবির রমনা বিভাগের ডিসি এইচএম আজিমুল হক জানান, শত শত গ্রাহকের টাকা আত্মসাত করে শহিদুল্লাহ সস্ত্রীক আত্মগোপনে যান। এরপর প্রতারণার শিকার দু’জন পল্টন থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তারা অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ নিয়ে লাপাত্তা হয়েছেন শহিদুল্লাহ। ওই মামলায় শহিদুল্লাহ ও তার স্ত্রী নিপাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলার আরেক আসামি শহিদুল্লাহর ভাই ওহিদুজ্জামানকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এর আগে ঢাকার পুঁজিবাজারের ব্রোকারেজ হাউজ ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ গুটিয়ে মালিক শহিদুল্লাহ লাপাত্তা হয়ে যান। এতে বিপাকে পড়েন ব্রোকারেজ হাউজটির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা। করোনাভাইরাস মহামারীর সঙ্কটকালে তাদের শেয়ার ও অর্থ আটকে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন গ্রাহকেরা। তাদের দায়ের করা মামলায় লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী সীমান্ত এলাকা থেকে শহিদুল্লাহকে সস্ত্রীক গ্রেফতার করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন