বৃহস্পতিবার | আগস্ট ১৩, ২০২০ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭

প্রথম পাতা

শেয়ার মানি ডিপোজিট নিয়ে বিপাকে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় কোম্পানি

আগস্টে ইস্যু করতে হবে ৭১৯ কোটি শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

করপোরেট সুশাসন হিসাবমান পরিপালনের দিক দিয়ে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো বছরের পর বছর ধরে সরকারের কাছ থেকে ইকুইটি হিসেবে অর্থ নিলেও এর বিপরীতে সরকারের অনুকূলে শেয়ার ইস্যু করেনি। চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের জারি করা নির্দেশনায় ছয় মাসের মধ্যে কোম্পানিগুলোকে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু করতে বলা হয়। এতে চলতি বছরের আগস্টের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় কোম্পানির পুঞ্জীভূত হাজার ১৯৪ কোটি টাকা শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য হিসেবে ইস্যু করতে হবে মোট ৭১৯ কোটি শেয়ার।

বিপুল পরিমাণ শেয়ার ইস্যু করা হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) কমে যাওয়ার পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। অবস্থায় পুঁজিবাজারের সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মূলত সরকারি কোম্পানিগুলোরই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ শেয়ার মানি ডিপোজিট রয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবিএল) কাছে ৩০ জুন ২০১৯ শেষে হাজার ৭১ কোটি টাকার শেয়ার মানি ডিপোজিট ছিল। আর ৩১ মার্চ ২০২০ শেষে কোম্পানিটির শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। এফআরসির প্রাক্কলন অনুসারে ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু না করার কারণে সরকার কোম্পানিটি থেকে হাজার ১৪ কোটি টাকার লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাধ্যমে ২৫১ কোটি ৮১ লাখ ৪০ হাজার টাকা শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অনুকূলে ২৫ কোটি ১৮ লাখ ১৪ হাজার সাধারণ শেয়ার ইস্যু করেছে কোম্পানিটি।

পিজিসিবিএলের কোম্পানি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আজাদ বণিক বার্তাকে বলেন, শেয়ার মানি ডিপোজিট-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আমরা গত মাসে এফআরসির কাছে চিঠি দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এফআরসির কাছ থেকে কোনো জবাব পাইনি। এফআরসির কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে ব্যাংকটির শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ ছিল ৬৮০ কোটি টাকা।

রূপালী ব্যাংকের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. শওকত জাহান খান বণিক বার্তাকে বলেন, শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যুর জন্য আমরা ২০১৬ সাল থেকেই রাইট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে বিষয়ে অনুমোদন পাওয়া যায়নি। যদি শেষ পর্যন্ত রাইট ইস্যুর অনুমোদন পাওয়া না যায় তাহলে এফআরসির প্রজ্ঞাপন পরিপালনের জন্য প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুৎ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) ৩০ জুন ২০১৯ শেষে শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ ছিল ৫৬৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এফআরসির প্রাক্কলন অনুসারে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু না করার কারণে ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে সরকার কোম্পানিটি থেকে ৬৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকার লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

ডেসকোর নির্বাহী পরিচালক (অর্থ হিসাব) মো. সাইফুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, সম্প্রতি আমাদের পর্ষদ সভায় শেয়ার ইস্যু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে কী ধরনের শেয়ার ইস্যু করা হবে, সেটি আমরা পর্যালোচনা করে দেখছি।

টেলিযোগাযোগ খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ ১৬৬ কোটি টাকা। এফআরসির প্রাক্কলন অনুসারে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু না করার কারণে সরকার কোম্পানিটি থেকে ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে ২৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিএসসিসিএলের কোম্পানি সচিব মো. আব্দুস সালাম খান প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, সম্প্রতি আমাদের পর্ষদ সভায় শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য আইসিবি ক্যাপিটালের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইসিবি ক্যাপিটালের পরামর্শ অনুসারে কী ধরনের শেয়ার ইস্যু করা হবে, সে বিষয়ে আমাদের পর্ষদ সিদ্ধান্ত নেবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ৩০ জুন ২০১৯ শেষে ১৫১ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার মানি ডিপোজিট ছিল। বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ আরো বেড়ে ১৬৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এফআরসির প্রাক্কলন অনুসারে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু না করার কারণে সরকার কোম্পানিটি থেকে ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে ৩৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

তিতাস গ্যাসের শেয়ার বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক নূর হোসেন জানান, শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যুর জন্য এরই মধ্যে আমরা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু কভিড-১৯-এর কারণে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চলার কারণে আমরা এফআরসির কাছে গত সপ্তাহে চিঠি পাঠিয়ে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি। তবে এফআরসির কাছ থেকে এখন পর্যন্ত বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এফআরসির পাশাপাশি বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছেও বিষয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের শেয়ারমানি ডিপোজিটের পরিমাণ ৩০ জুন ২০১৯ শেষে ছিল কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এফআরসির প্রাক্কলন অনুসারে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু না করার কারণে সরকার কোম্পানিটি থেকে ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে কোটি ৪২ লাখ টাকার লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের কোম্পানি সচিব রেজা মো. রিয়াজুদ্দীন বলেন, শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি। কমিটি বিষয়ে কাজ করছে। সরকারি কোম্পানি হওয়ার কারণে এখানে কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয় রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন করে শেয়ার ইস্যু করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

বড় অংকের শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে বিপুল পরিমাণ শেয়ার ইস্যু করা হলে কোম্পানিগুলোর ইপিএস এনভিপিএস কমে যাওয়ার পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. ছায়েদুর রহমান। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিষয়টি অব্যাহতি দেয়া উচিত। আর যদি শেয়ার ইস্যু করতেই হয় তাহলে বিদ্যমান বাজারমূল্যে শেয়ার ইস্যু করা উচিত বলে আমি মনে করি।

কোম্পানিগুলোর শেয়ার মানি ডিপোজিট ব্যবহার বিশ্লেষণ করে এফআরসির পরিবীক্ষণে বেশকিছু সম্ভাব্য অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে। শেয়ার মানি ডিপোজিটকে ইকুইটি হিসেবে দেখিয়ে ঋণ দায়ের অনুপাত ভালো দেখানো, ইপিএস বাড়িয়ে দেখানো, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেয়ার ইস্যু না করার কারণে শেয়ারের বর্তমান মূল্য বিবেচনায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি, সরকারকে লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত করা, উদ্যোক্তা পরিচালকদের নিজেদের স্থায়ী সম্পত্তির দাম বেশি দেখিয়ে সেটি শেয়ার মানি ডিপোজিট খাতে লিপিবদ্ধ করা, সুদের আয় শেয়ার মানি ডিপোজিট হিসেবে দেখিয়ে বিদেশে অর্থ প্রত্যর্পণ এবং বিনিয়োগকারীদের অগ্রক্রয়াধিকার খর্ব করা।

শেয়ার মানি ডিপোজিটের এসব অপব্যবহার রোধে ১১ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপন জারি করে এফআরসি। এতে বলা হয়, মূলধন খাতে প্রাপ্ত অর্থ যা শেয়ার মানি ডিপোজিট বা অন্য কোনো নামে কোম্পানির মূলধন বা ইকুইটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তা কোনোভাবেই প্রত্যাহার বা ফেরত নেয়া যাবে না। খাতে প্রাপ্ত অর্থ সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে আইনিভাবে মূলধনে রূপান্তর করতে হবে অর্থাৎ যার কাছ থেকে অর্থ নেয়া হয়েছে তাকে শেয়ার ইস্যু করতে হবে। এছাড়া মূলধনে রূপান্তরের আগ পর্যন্ত শেয়ার মানি ডিপোজিটকে সম্ভাব্য শেয়ার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং এই সম্ভাব্য শেয়ার বিবেচনায় নিয়ে ইপিএস হিসাব করতে হবে।

শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিষয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড, রূপালী ব্যাংক, ডেসকো, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, তিতাস গ্যাস মেঘনা পেট্রোলিয়ামের কাছে এফআরসির পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছিল। এর জবাবে কোম্পানিগুলো জানায়, সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা না থাকার কারণে তারা শেয়ার ইস্যু করেনি। যদিও তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য প্রযোজ্য বিধিবিধান নিয়ম-পদ্ধতি অনুসারে কোম্পানিগুলোর ধরনের ব্যাখ্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করে এফআরসি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বছরের ১৬ জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে এফআরসির পক্ষ থেকে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিষয়ে একটি চিঠি পাঠনো হয়। চিঠিতে বলা হয়, সরকারি বিনিয়োগ বা অর্থের জোগান দেয়া হয়েছে এমন সব কোম্পানিতে যথাযথ পদ্ধতিতে সরকারের শেয়ার মালিকানা অর্জন বা গ্রহণের বিষয়ে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি সরকারের বিনিয়োগকালের আয় আদায় বা সমন্বয় করা সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া সমীচীন। সরকারের অনুকূলে বিপুলসংখ্যক সাধারণ শেয়ার ইস্যু করা হলে পুঁজিবাজারে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ার মূল্য ইপিএসের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে এফআরসির কাছে তুলে ধরা হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো যৌক্তিক বা ন্যায়সংগত লভ্যাংশ হারে অপরিশোধ্য অগ্রাধিকারমূলক শেয়ার বা সাধারণ শেয়ারে পরিবর্তনযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে শেয়ার মানি ডিপোজিটের অর্থ নিয়মিত করা বা সমন্বয়ের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে এফআরসি।

জানতে চাইলে এফআরসির নির্বাহী পরিচালক সাঈদ আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, যেহেতু সরকারের কাছ থেকে ইকুইটি হিসেবে জনগণের করের টাকা নিয়ে কোম্পানিগুলো ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছে সেহেতু এর বিপরীতে সরকারের অনুকূলে শেয়ার ইস্যুর পাশাপাশি লভ্যাংশ দিতেই হবে। তাছাড়া হিসাবমান অনুসরণ করে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে শেয়ার ইস্যু করলে কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকৃত চিত্র প্রতিফলিত হবে। শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিষয়ে অব্যাহতি চেয়ে এরই মধ্যে কিছু কোম্পানি আমাদের কাছে চিঠি দিয়েছে। আমরা সম্প্রতি শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিপরীতে অপরিশোধযোগ্য প্রেফারেন্স শেয়ার কিংবা সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু বিষয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছি। কোম্পানিগুলোকে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শেয়ার মানি ডিপোজিটের বিষয়টি নিষ্পত্তির পরামর্শ দিয়েছি।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন