বৃহস্পতিবার | আগস্ট ১৩, ২০২০ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭

শেষ পাতা

শুধু জুনেই ১০৩ ট্রেনে পণ্য রফতানি করেছে ভারত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

চলতি বছরের শুধু জুনেই বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে ১০৩টি পণ্যবাহী ট্রেন যাতায়াত হয়েছে। প্রত্যেকটি ট্রেনেই ভারত বাংলাদেশে পণ্য রফতানি করেছে। তবে ট্রেনগুলো ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশ থেকে কোনো পণ্য যায়নি ভারতে। রেলপথ মন্ত্রণালয় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন থেকে তথ্য জানা গেছে।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, কভিড-১৯-এর কারণে দুই দেশে যখন লকডাউন এবং পরিবহন বন্ধ ছিল, তখন দুই দেশের রেল কর্তৃপক্ষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি-রফতানিতে রেলপথে পণ্য পরিবহনের সমাধান নিয়ে এসেছিল। অনেক আমদানিকারক বর্তমানে পণ্য পরিবহনের জন্য রেলপথ ব্যবহার করছেন। আগে তারা রেলপথ সেবার ওপর নির্ভর করতেন না। রেলপথে পণ্য পরিবহনের সফলতা দেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে এরই মধ্যে দুই দেশের মধ্যে পার্সেল ট্রেন সেবা চালুর অনুমতি দিয়েছে। পার্সেল ট্রেনে ২৩৮ টন পণ্য পরিবহন করা যায়, ছোট পরিসরে আমদানিকারকদের জন্য একটি বড় সুযোগ। শুধু জুনেই ১০০-এর বেশি ট্রেন চলাচল করে বাংলাদেশ ভারতের রেলওয়ে একটি মাইলফলক অর্জন করেছে। ওই মাসে মোট ১০৩টি মালবাহী ট্রেনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেঁয়াজ, আদা, ভুট্টা, হলুদ, ধানের বীজ, চিনি, তৈরি পণ্য এবং বাংলাদেশের শিল্পের জন্য কাঁচামাল বহন করেছে ভারতীয় রেলওয়ে। 

এদিকে রেলপথ মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা সংক্রমণের জেরে রেলপথে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যকার সব ধরনের যোগাযোগ কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। এরপর আবারো গত ২৭ এপ্রিল থেকে দুই দেশের রেল চলাচল শুরু হয়েছে। বর্তমানে শুধু পণ্যবাহী রেলই চলাচল করছে। ২৭ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত রেলপথে দুই দেশের মধ্যে যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য হয়, তাতে ভারত কেবলই রফতানিই করেছে। এসব বাংলাদেশ থেকে কোনো পণ্য ভারতে প্রবেশ করেনি।

করোনা পরিস্থিতিতে কিছুদিন বাংলাদেশ ভারতের মধ্যকার বাণিজ্য বন্ধ থাকায় দুই দেশের অর্থনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দুই দেশের বাণিজ্য স্বাভাবিক করতে উদ্যোগটি ভারতের পক্ষ থেকেই প্রথম নেয়া হয়। ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে বাংলাদেশের বাণিজ্য, পররাষ্ট্র রেলপথ মন্ত্রণালয়সহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বৈঠক করেন। বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন