সোমবার | আগস্ট ১০, ২০২০ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭

খবর

নভেল করোনাভাইরাস

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহায়তা পেয়েছে দেড় কোটি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) পক্ষ থেকে সহায়তা করা হয়েছে। গতকাল অনলাইনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

এনজিও নেটওয়ার্ক বিডিসিএসও প্রসেস, সিসিএনএফ, ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাক্টরস ইন বাংলাদেশ, নেটওয়ার্ক ফর ইনফরমেশন, রেসপন্স অ্যান্ড প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যাক্টিভিটিজ ইন বাংলাদেশ, অ্যাসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশ, ফেডারেশন অব এনজিওস ইন বাংলাদেশ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে গত ২৫ মে পর্যন্ত বাংলাদেশে এনজিও কর্তৃক কোটি ৪৮ লাখ মানুষকে সহায়তা প্রদান করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বিডিসিএসও প্রসেসের রেজাউল করিম চৌধুরী এবং মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন নাহাবের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার লতিফ খান। বক্তব্য রাখেন নাহাবের . এহসানুর রহমান, ডিজাস্টার ফোরামের গওহর নইম ওয়ারা, সিসিএনএফের আবু মোরশেদ চৌধুরী বিমল চন্দ্র সরকার, নিরপদের হাসিনা আখতার মিতা, এডাবের একেএম জসিম উদ্দীন এবং এফএনবির রফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের এনজিওগুলো করোনা প্রতিরোধ কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত ১৫৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে, যার ১০ শতাংশ (১৫. কোটি টাকা) তাদের নিজেদের তহবিল। স্থানীয় সংগঠন হিসেবে দ্রুত সাড়া প্রদানের জন্য তারা অর্থ ব্যয় করেছে। এসব এনজিওর মধ্যে ৫৬ শতাংশ হচ্ছে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা বাকিগুলো অধিকারভিত্তিক এনজিও। আটটি বিভাগে ৪৯টি জেলায় ২১২টি এনজিওর মাধ্যমে তারা সহায়তা প্রদান করে। সব থেকে বেশি সহায়তা দেয়া হয়েছে রংপুর বিভাগে।

তারা বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের এনজিও কর্তৃক দুর্যোগে সাড়া প্রদান একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমাদের কাজ হচ্ছে, তাদের ব্যাপারে তথ্য হালনাগাদ চালু রাখা।

ডিজাস্টার ফোরামের গওহর নইম ওয়ারা বলেন, জেলা পর্যায়ের সাড়া প্রদান কাজে স্থানীয় এনজিও এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় যোগাযোগ জরুরি। সেই সঙ্গে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং সেখানে এনজিওদের অংশগ্রহণের জায়গা তৈরি করা।

সিসিএনএফের আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দাতা সংস্থাদের উচিত স্থানীয় এনজিওদের কাছে সরাসরি তহবিল হস্তান্তর করা। নিজেরা বাস্তবায়নের কাজে যুক্ত না থেকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উচিত নিজেদের কাজকে মনিটরিং কারিগরি সহায়তার মধ্যে সীমিত রাখা।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন