শুক্রবার | জুলাই ১০, ২০২০ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৭

আন্তর্জাতিক ব্যবসা

এক বছরে প্রথম সম্পত্তির দাম কমেছে অস্ট্রেলিয়ায়

বণিক বার্তা ডেস্ক

নভেল করোনাভাইরাসের কারণে স্থবিরতা নেমে এসেছে অর্থনীতিতে। এর প্রভাবে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ির দাম কমে গেছে। গত এক বছরে এই প্রথম সেখানে সম্পত্তির দাম কমল। খবর ব্লুমবার্গ।

ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক মার্কেট ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি কোরলজিক ইনকরপোরেশন গতকাল -সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য আঞ্চলিক রাজধানী শহরগুলোয় সম্পত্তির মূল্য গত মাসে দশমিক শতাংশ কমেছে। ২০১৯ সালের জুনের পর এই প্রথম দেশটিতে সম্পত্তির মূল্য কমল।

সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে মেলবোর্নে। সেখানে সম্পত্তির দাম কমেছে দশমিক শতাংশ। পার্থে বাড়ির দাম কমেছে দশমিক শতাংশ।

কঠোর লকডাউনের মাঝেও সম্পত্তির মূল্যে পতনের হার কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলেই ধরে নেয়া হচ্ছে। কারণে বাজারে কিছুটা আশার সঞ্চার হয়েছে যে লকডাউনের শুরুর দিকে যতটা ভয় করা হয়েছিল, বাস্তবে সম্পত্তির মূল্য ততটা না- পড়তে পারে।

আসল পরিস্থিতি বোঝা যাবে চলতি বছরের শেষের দিকে, যখন আবাসন খাতে সরকারের প্রণোদনা সহায়তা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। বর্তমানে প্রায় লাখ ৩০ হাজার আবাসন ঋণ গ্রহণকারী ছয় মাসের পেমেন্ট হলিডে সুবিধা পাচ্ছেন এবং প্রায় ২৯ লাখ শ্রমিক সরকারের মজুরি ভর্তুকি সুবিধা পাচ্ছেন।

কোর লজিকের হেড অব রিসার্চ টিম ললেস বলেছেন, একসময় সরকারের প্রণোদনায় টান পড়বে। ঋণগ্রহণকারীদের বিলম্বে ঋণ পরিশোধের সুবিধাও শেষ হবে। এসব সহায়তা না থাকলে সম্পত্তির মূল্যে বাড়তি নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যদি না বছরের শেষ নাগাদ অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা উন্নত হয়।

মে মাসে তো তাও আবাসন খাতে কার্যক্রম কিছুটা শুরু হয়েছে। এপ্রিলে তা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ ছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বাধ্যবাধকতার কারণে সে সময় হাউজিং ইনস্পেকশন গণনিলাম নিষিদ্ধ ছিল। তবে গত মাসে কার্যক্রম শুরু হলেও চাহিদা চাঙ্গা না হওয়ায় বিক্রি তালিকাভুক্তির পরিমাণ ঐতিহাসিক গড়ের চেয়ে নিচে রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া নির্মাণ খাতের জন্য নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার পরিকল্পনা করছে। বর্তমান সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে তা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ দেশটির মোট শ্রমশক্তির ১০ শতাংশের জীবিকা খাতের সঙ্গে জড়িত।

অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ জানিয়েছে, নবনির্মিত বাড়ির ক্রেতারা অন্তত ২০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার (১৩ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার) মঞ্জুরি পেতে পারেন। এছাড়া বাড়ি সংস্কারের কাজে সরাসরি নগদ অর্থসহায়তা দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন