সোমবার | আগস্ট ১০, ২০২০ | ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭

পণ্যবাজার

৫ মাসে ২৯ লাখ টন রফতানি ভিয়েতনামের

বণিক বার্তা ডেস্ক

চাঙ্গা ভাবের মধ্য দিয়ে ২০১৯ সাল শেষ করেছিল ভিয়েতনামের চাল রফতানি খাত। চলতি বছরের শুরু থেকেও দেশটির চাল রফতানিতে একই চিত্র বজায় রয়েছে। বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যটির রফতানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় শতাংশ বেড়ে ৩০ লাখ টনের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ভিয়েতনামের জেনারেল স্ট্যাটিস্টিকস অফিসের (জিএসও) সর্বশেষ মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে তথ্য জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্স বিজনেস রেকর্ডার।

ভিয়েতনাম বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ। জিএসওর সর্বশেষ মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-মে সময়ে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ২০ লাখ টন চাল রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক শতাংশ বেশি।

বছরের প্রথম পাঁচ মাসে চাল রফতানি করে ভিয়েতনামিজ রফতানিকাতরকরা সব মিলিয়ে ১৩৯ কোটি ডলার আয় করেছেন। এক বছরের ব্যবধানে খাদ্যপণ্যটির রফতানি বাবদ দেশটির আয় বেড়েছে ১৭ দশমিক শতাংশ।

এদিকে মাসভিত্তিক হিসাবে চলতি মাসে ভিয়েতনাম থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে লাখ ৫০ হাজার টন চাল রফতানি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে জিএসও। সময় খাদ্যপণ্যটি রফতানি বাবদ ভিয়েতনামিজ রফতানিকারকদের আয় দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর কারণে অভ্যন্তরীণ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে ভিয়েতনাম চাল রফতানি সাময়িক বন্ধ রেখেছিল। সম্প্রতি দেশটি থেকে খাদ্যপণ্যটির রফতানি ফের চালু হয়েছে। বর্তমানে কিউবা, মালয়েশিয়া ফিলিপাইনে বাড়তি চাল রফতানি করছেন ভিয়েতনামিজ রফতানিকারকরা। মহামারীর কারণে রফতানিতে সাময়িক লাগাম টানা না হলে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশটি থেকে খাদ্যপণ্যটির রফতানি আরো বাড়ত বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ের বাড়তি রফতানি চাহিদা ভিয়েতনামের চালের বাজার চাঙ্গা করে তুলেছে।  সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটিতে রফতানিযোগ্য শতাংশ ভাঙা চাল টনপ্রতি ৪৫০-৪৬০ ডলারের মধ্যে বিক্রি হয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোয় দেশটিতে চালের রফতানিমূল্য বর্তমানের তুলনায় আরো বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন