মঙ্গলবার | জুলাই ১৪, ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

পণ্যবাজার

করোনার প্রভাব : ৮০০ কোটি ডলারের স্বর্ণ কিনেছে মানুষ

বণিক বার্তা অনলাইন

হাজার বছর ধরে পৃথিবীতে মূল্যবান ধাতু হিসেবে স্বর্ণের কদর রয়েছে। সংকটকালীন সময়ে স্বর্ণে বিনিয়োগকে মানুষ নিরাপদ মনে করে থাকে। বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে স্বর্ণ কেনার দিকে ঝুঁকছে মানুষ। এ বছরের এপ্রিলের শুরু থেকে মে মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় গোল্ড এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড এসপিডিআর গোল্ড ট্রাস্টে ৮০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। খবর মানি ডটকম।

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতি বিপর্যস্ত অন্যদিকে চাপের মুখে রয়েছে কাগুজে মুদ্রা। এক্ষেত্রে মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজছে মানুষ। ব্যাংক অব আমেরিকা মেরিল লিঞ্চের কমোডিটিজ অ্যান্ড ডেরিভেটিভস রিসার্চের প্রধান ফ্রান্সিসকো ব্লানচ বলেন, ফেডারেল রিজার্ভ বর্তমানে অর্থনীতিতে প্রচুর পরিমাণে নগদ অর্থ সরবরাহ করছে, যার প্রভাবে মুদ্রার মান কমছে। আর এ কারণেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে। কাগুজে মুদ্রার মানের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ক্রমশ কমছে আর তাছাড়া তাদের অন্য কোথাও বিনিয়োগ করার খুব বেশি সুযোগও নেই।

‘ফেড স্বর্ণ ছাপাতে পারবে না’ শীর্ষক সাম্প্রতিক এক রিসার্চ নোটে ব্লানচ ও তার সহকর্মীরা পরবর্তী ১৮ মাসের জন্য আউন্স প্রতি ৩ হাজার ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে যা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

তবে বিশ্লেষকেরা স্বর্ণ কেনার আগে কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমানে বিশ্বজুড়েই পণ্যের চাহিদা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। চীন ও ভারতের মত বড় বাজারগুলো আর্থিক অর্থ সংকটে রয়েছে এবং এমুহূর্তে কেউ স্বর্ণের গহনা কেনার মতো অবস্থায় নেই। এরইমধ্যে স্বর্ণের দাম ১৫ শতাংশের মত বেড়েছে।

তবে যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যেতে থাকে ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল হয়ে যায় তাহলে স্বর্ণের চাহিদা কমে যাবে। এর ফলে যারা বর্তমানে বিভিন্ন খাত থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে স্বর্ণ কিনেছিলেন তারাই আবার সেটি বিক্রি করে আগের খাতে বিনিয়োগ করবেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন