মঙ্গলবার | জুন ০২, ২০২০ | ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

খবর

করোনা মোকাবেলা

আরো ৬ কোটি টাকা ও ৯৬০০ টন চাল বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাত্ক্ষণিক মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য আরো কোটি ৩০ লাখ টাকা হাজার ৬০০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কোটি ৭০ লাখ টাকা ত্রাণ হিসেবে বিতরণ করতে কোটি ৬০ লাখ শিশুখাদ্য কিনতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে আদেশ জারি করা হয়।

দেশে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর পর্যন্ত বেশ কয়েক দফায় ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ১০৪ কোটি লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা (শিশুখাদ্য কেনাসহ) লাখ ৮২ হাজার ৬৭ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।

জেলা প্রশাসকরা দুর্যোগ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে বরাদ্দ বিতরণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করবেন বলে বরাদ্দের আদেশে উল্লেখ করা হয়।

আদেশে পৌর এলাকায় বেশিসংখ্যক কর্মজীবী মানুষ বসবাস করেন বিধায় জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দের ক্ষেত্রে পৌর এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া ত্রাণসামগ্রী হিসেবে শাকসবজি কিনে বিতরণ করা যেতে পারে। প্রত্যেক ত্রাণ গ্রহণকারীকে কমপক্ষে পাঁচটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করা যেতে পারে বলেও বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুখাদ্য ক্রয়ের শর্তাবলিতে বলা হয়, শিশুখাদ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব বিধি-বিধান আর্থিক নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিফলন করতে হবে। জিটুজি পদ্ধতিতে কিনে মিল্ক ভিটার উৎপাদিত গুঁড়ো দুধ চলমান কাজে ত্রাণসামগ্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া শিশুখাদ্য হিসেবে খেজুর, বিস্কুট, ফর্টিফাইড তেল, ব্রাউন চিনি, সুজি, মসুর ডাল, সাগু, ফর্টিফাইড চাল, ওয়াটার পিউরিফায়ার ট্যাবলেট, বাদাম, মানসম্মত রেডিমেড ফুড ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য স্থানীয়ভাবে কিনে বিতরণ করতে হবে। জেলা প্রশাসকরা আরোপিত শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করে ছাড় করা অর্থে শিশুখাদ্য কিনে বিতরণ করবেন এবং নিরীক্ষার জন্য হিসাব সংরক্ষণ করবেন।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন