রবিবার | নভেম্বর ২৯, ২০২০ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

টেলিকম ও প্রযুক্তি

শক্তিশালী কোম্পানি দ্রুত প্রত্যাবর্তন করতে পারবে —এরিক শিমিড

বণিক বার্তা ডেস্ক

আরেকটি ভয়াবহ আর্থিক মহামন্দায় পতনের মুখে বিশ্ব অর্থনীতি। ইতিহাস বলছে, সংকট থাকলে তা থেকে উত্তরণও রয়েছে। সব মন্দার পরই অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এবারও এমনটাই হবে বলে বিশ্বাস করেন গুগলের সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এরিক শিমিড। তবে তার মতে, কোন কোম্পানি কত দ্রুত প্রত্যাবর্তন করবে, তা নির্ভর করছে ওই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক, ব্যবসায়িক কৌশলগত শক্তিমত্তার ওপর। শক্তিশালী কোম্পানিগুলো দ্রুত নভেল করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে বলে মনে করছেন এরিক। খবর মার্কেট ওয়াচ।

নভেল করোনাভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্বের করপোরেট খাতে এখন টালমাটাল অবস্থা। আকাশসেবা পর্যটন থেকে শুরু করে টেলিকম প্রযুক্তি, সেবা থেকে শুরু করে উৎপাদনমুখীসব খাতই এখন ভয়াবহ সংকটের মুখে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ মহামন্দার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্ব অর্থনীতি সর্বশেষ বড় ধরনের মন্দা দেখেছিল ২০০৮-০৯ সালে। কিন্তু এরিক মনে করছেন, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটের কাছে সেবারের মন্দা কিছুই না।

২০১১ সাল পর্যন্ত ১০ বছর গুগলের প্রধান নির্বাহী ছিলেন এরিক। স্বাভাবিকভাবেই ২০০৮-০৯ সালের আর্থিক মহামন্দাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। ওই দুঃসময় থেকে বেরিয়ে এসে গুগলকে প্রযুক্তি বিশ্বের পরাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অনবদ্য ভূমিকাও রেখেছেন তিনি। সে অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বলছেন, শক্তিশালী কোম্পানিগুলো দুর্বলদের চেয়ে দ্রুত ফিরে আসতে পারে।

মঙ্গলবার রিমোট কনফারেন্সিং সার্ভিস জুমে এক ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য রাখার সময় কথা বলেন তিনি। ওই কনফারেন্সে প্রায় ২০০ নির্বাহী, বিনিয়োগকারী, সেলিব্রেটি গণমাধ্যমকর্মী সংযুক্ত ছিলেন। নিজের বক্তব্যে এরিক বলেন, সংকটপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে সফলভাবে বেরিয়ে আসতে হলে বিদ্যমান সুযোগগুলোর পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যা করোনা-উত্তর পরিস্থিতিতে ভালোভাবে ফিরে আসতে আপনাকে সাহায্য করবে। করোনার সময়ে বিদ্যমান সুযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সামনে সুযোগ রয়েছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ম্যানুফ্যাকচারিংসহ সব খাতে টেলিকনফারেন্সিং চালু করার। এক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথে সবার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন