মঙ্গলবার| এপ্রিল ০৭, ২০২০| ২২চৈত্র১৪২৬

দেশের খবর

ঢাকায় করোনায় মৃতের সঙ্গে আইসিইউতে থাকা ব্যক্তির মৃত্যু

দুই চিকিৎসকসহ ১৬ জন কোয়ারেন্টিনে

বণিক বার্তা প্রতিনিধি খুলনা

ঢাকায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে ভর্তি থাকা আরেকজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। গতকাল বেলা দেড়টার দিকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার নাম মোস্তাহিদুর রহমান (৪৫) তিনি খুলনা মহানগরীর হেলাতলা এলাকার মৃত সাঈদুর রহমানের ছেলে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত ব্যক্তি থাইরয়েড সার্জারির পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া একজন। এরপর ওই হাসপাতাল থেকে সব রোগীকে ছেড়ে দেয়া হয় এবং নিজ নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু মৃত ওই রোগী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে গত বুধবার রাত আড়াইটার দিকে ভর্তির সময় এসব তথ্য গোপন করেন। থাইরয়েড সার্জারিতে ইনফেকশন হওয়ার কারণে এখানে ভর্তি হন তিনি। তাই তাকে স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-- ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। গতকাল সকালে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর এসব তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর ওই রোগীকে ফাঁকা ওয়ার্ডের এক কোনায় রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু বেলা দেড়টার দিকে তিনি মারা যান। ঢাকা থেকে একটি টিম এসে তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছে।

তিনি বলেন, অবস্থার পর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসাসেবায় থাকা ১৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের পেছনে থাকা ডরমিটরিতে তাদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন চিকিৎসক, ১০ জন নার্স দুজন কর্মচারী রয়েছেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিট ইনচার্জ ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, মৃত ব্যক্তির স্বজনরা তথ্য গোপন না করলে তাকে করোনা ইউনিটেই নেয়া হতো। তথ্য গোপন করার কারণে তাকে সার্জারিতে নেয়া হয়। তার মৃত্যুর পর হাসপাতালে থাকা অন্য রোগীও হাসপাতাল ত্যাগ করতে শুরু করেছে। হাসপাতালটি এখন পুরোটাই করোনা ইউনিট করা হচ্ছে।

 

ঢাকায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে ভর্তি থাকা আরেকজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। গতকাল বেলা দেড়টার দিকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার নাম মোস্তাহিদুর রহমান (৪৫) তিনি খুলনা মহানগরীর হেলাতলা এলাকার মৃত সাঈদুর রহমানের ছেলে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃত ব্যক্তি থাইরয়েড সার্জারির পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া একজন। এরপর ওই হাসপাতাল থেকে সব রোগীকে ছেড়ে দেয়া হয় এবং নিজ নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু মৃত ওই রোগী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে গত বুধবার রাত আড়াইটার দিকে ভর্তির সময় এসব তথ্য গোপন করেন। থাইরয়েড সার্জারিতে ইনফেকশন হওয়ার কারণে এখানে ভর্তি হন তিনি। তাই তাকে স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-- ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। গতকাল সকালে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর এসব তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর ওই রোগীকে ফাঁকা ওয়ার্ডের এক কোনায় রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু বেলা দেড়টার দিকে তিনি মারা যান। ঢাকা থেকে একটি টিম এসে তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছে।

তিনি বলেন, অবস্থার পর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে মৃত ব্যক্তির চিকিৎসাসেবায় থাকা ১৬ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের পেছনে থাকা ডরমিটরিতে তাদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন চিকিৎসক, ১০ জন নার্স দুজন কর্মচারী রয়েছেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিট ইনচার্জ ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, মৃত ব্যক্তির স্বজনরা তথ্য গোপন না করলে তাকে করোনা ইউনিটেই নেয়া হতো। তথ্য গোপন করার কারণে তাকে সার্জারিতে নেয়া হয়। তার মৃত্যুর পর হাসপাতালে থাকা অন্য রোগীও হাসপাতাল ত্যাগ করতে শুরু করেছে। হাসপাতালটি এখন পুরোটাই করোনা ইউনিট করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন