মঙ্গলবার| এপ্রিল ০৭, ২০২০| ২২চৈত্র১৪২৬

শিল্প বাণিজ্য

তৈরি পোশাক খাত

ক্রয়াদেশ বাতিলে প্রভাবিত প্রায় ১৮ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক

নভেল করোনার ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিততে একের পর এক ক্রয়াদেশ হারাচ্ছে তৈরি পোশাক খাত। আজ বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) দেয়া তথ্যমতে, বিজিএমইএর সদস্য ৮৮০ প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা কারখানার ২৪৬ কোটি ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল-স্থগিত হয়েছে। এসব ক্রয়াদেশের আওতায় ছিলো ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার পিস পোশাক। 

ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়া এই ৮৮০ প্রতিষ্ঠানের আওতায় আছে ১৭ লাখ ৯০ হাজার শ্রমিক। ক্রয়াদেশ বাতিল-স্থগিত করা ক্রেতাদের মধ্যে প্রাইমার্কের মতো বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানও আছে। আয়ারল্যান্ডভিত্তিক প্রাইমার্কের পাশাপাশি ক্রয়াদেশ বাতিল-স্থগিত করেছে ইউরোপের ছোট-মাঝারি-বড় সব ধরনের ক্রেতারাই।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো একের পর এক লকডাউন ঘোষণা করছে। বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করছে পোশাকের ব্র্যান্ডগুলো। এ পরিস্থিতিতে ভোক্তা চাহিদায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বাজার চাহিদার এ পরিস্থিতিতে নতুন ক্রয়াদেশ দিচ্ছে না ক্রেতারা। শুধু তাই নয়, বাতিল ও স্থগিত করছে আগের দেয়া ক্রয়াদেশও, যার ফলে ব্যাপক মাত্রায় ক্রয়াদেশ হারাচ্ছে দেশের তৈরি পোশাক খাত।

করোনার প্রভাবে প্রথমে কাঁচামাল সরবরাহ সঙ্কটে পড়তে হয়েছিল পোশাক খাতকে। কারণ দেশের তৈরি পোশাক খাতের ওভেন পণ্য তৈরির আনুমানিক শতকরা ৬০ শতাংশ কাপড় চীন থেকে আমদানি হয়। 

আর নিট পণ্য তৈরির আনুমানিক শতকরা ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কাঁচামাল চীন থেকে আমদানি হয়। চীনে করোনা ভাইরাস হানা দেয়া দেশটি থেকে  কাঁচামাল আসতে পারছিল না। কারণ করোনার প্রভাবে দেশটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ধীর গতিতে হলেও কাঁচামাল সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে পরে কিন্তু এখন চাহিদা সংকটে পড়েছে পোশাক খাত।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন