বৃহস্পতিবার| এপ্রিল ০২, ২০২০| ১৮চৈত্র১৪২৬

আন্তর্জাতিক খবর

কভিড-১৯

ইউরোপে বাড়ছে আতঙ্ক, বিশ্বজুড়ে মৃত ৫ হাজার ছুঁইছুঁই

বণিক বার্তা অনলাইন

নভেল করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে সংক্রমণ কমে আসলেও আগ্রাসন বাড়ছে বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে। বিশেষ করে ইউরোপের দেশগুলোতে। চীনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র চারজন। অন্যদিকে ইউরোপের দেশগুলোতে একদিনে কয়েক হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশ্বজুড়ে কভিড-১৯ রোগে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ৯৪৮ জন।

চীনে গত ২৪ ঘণ্টায় কভিড-১৯ এ মারা গেছেন মাত্র একজন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৭৬ জন এবং আক্রান্ত ৮০ হাজার ৮১৩ জন। তবে করোনার আঘাতে টালমাটাল ইউরোপের দেশগুলো। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে ইতালি। দেশটিতে গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১৮৯ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬ জনে এবং আক্রান্ত ১৫ হাজার ১১৩ জন।

স্পেনে একদিনে নতুন করে ৮৬৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৬৫ জনে এবং মারা গেছেন ৮৪ জন। ফ্রান্সে গত একদিনে ৫৯৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ২ হাজার ২৮১ জন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ৪৮ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ২ হাজার ২৮১ জন, মারা গেছেন তিন জন। ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নভেল করোনাভাইরাস।

যুক্তরাষ্ট্রে আরো ৪২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন তিনজন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৬১ ও প্রাণহানি ৩৬ জনের। এদিকে নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যুক্তরাজ্য ব্যতীত ইউরোপের ২৬টি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এই নিষেধাজ্ঞা চালু হবে। চলবে ৩০ দিন। 

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরানে করোনার প্রভাব বেশি। ইরানে গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৭৫ জন, মারা গেছেন ৭৫ জন। এ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৭৫ জন এবং মারা গেছেন ৪২৯ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করোনা রোগী ২২৪ জন, প্রাণহানি ঘটেছে সাতজনের। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৭৯ এবং মৃত্যু ৬৭ জনের।  

শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়া কভিড-১৯-কে প্যানডেমিক বা বৈশ্বিক মহামারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সারাবিশ্বে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৮৪৬ জন। তবে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৬৯ হাজার ৮৪৭ জন।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন