বৃহস্পতিবার| ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০| ৭ফাল্গুন১৪২৬

শেয়ারবাজার

দুদিন ম্যারিকোর লেনদেন স্পট মার্কেটে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী রবি সোমবার ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ার কেবল স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। দুদিন ব্লক মার্কেটে কোম্পানিটির লেনদেনও স্পট সেটেলমেন্ট সাইকেলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট থাকায় সেদিন প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।

চলতি হিসাব বছরের (২০১৯-২০) প্রথম তিন প্রান্তিকের (এপ্রিল-ডিসেম্বর) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে শেয়ারহোল্ডারদের ৩০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ম্যারিকো বাংলাদেশ। চলতি হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের নিয়ে তিনবার অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দিল কোম্পানিটি। এর আগে প্রথমার্ধের (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ২০০ শতাংশ প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের ২৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা।

প্রথম তিন প্রান্তিকে ম্যারিকো বাংলাদেশের বিক্রি হয়েছে ৭৬৯ কোটি লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৭৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। হিসাবে এপ্রিল-ডিসেম্বর মেয়াদে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি বেড়েছে ৯০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা ১৩ দশমিক ৩১ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ নয় মাসে ম্যারিকো বাংলাদেশের নিট মুনাফা বেড়েছে ৫৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা বা ৩৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৭ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৯ টাকা ৩৯ পয়সা।

তৃতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ম্যারিকো বাংলাদেশের বিক্রি হয়েছে ১৩৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। নিট মুনাফা হয়েছে ৬১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আর ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৬৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৬ টাকা ৪৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৩৬ পয়সা।

৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৬৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এর মধ্যে ৬০০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ আকারে বিতরণ করা হয়। বাকি ৫০ শতাংশ দেয়া হয় চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ আকারে। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয় ৬৪ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছর যা ছিল ৫২ টাকা ১৫ পয়সা। ৩১ মার্চ এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪০ টাকা ৪৯ পয়সা, এক বছর আগে যা ছিল ৪৭ টাকা ৩৮ পয়সা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ম্যারিকো বাংলাদেশ শেয়ারের সর্বশেষ দর ছিল হাজার ৬৮২ টাকা। সমাপনী দর ছিল হাজার ৬৮১ টাকা ৮০ পয়সা। এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে হাজার ২৬০ টাকা ৯০ পয়সা হাজার ৮৯৯ টাকা ৫০ পয়সা।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন