মঙ্গলবার| ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০| ৫ফাল্গুন১৪২৬

শেয়ারবাজার

শেয়ার বাজারে গেল সপ্তাহে প্রকাশিত

আর্থিক ফলাফল

শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের প্রথমার্ধে যা ছিল ৫৭ পয়সা। এ হিসাবে চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস কমেছে ২৪ পয়সা বা ৪২ দশমিক ১১ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ২৭ পয়সা।

আইএসএন

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক (আইএসএন) লিমিটেডের ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস ছিল ১৯ পয়সা। এ হিসাবে চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৪ পয়সা বা ২১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) আইএসএনের ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৯৯ পয়সা।

আর্গন ডেনিমস লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) আর্গন ডেনিমসের বিক্রি হয়েছে ১৯০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। কর-পরবর্তী নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৭৩ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) আর্গন ডেনিমসের বিক্রি হয়েছে ৯৯ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। নিট মুনাফা হয়েছে ৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। ইপিএস হয়েছে ৭৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা।


এভিন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এভিন্স টেক্সটাইলসের সম্মিলিত টার্নওভার হয়েছে ১১৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সম্মিলিত নিট মুনাফা হয়েছে ৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৪ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির সম্মিলিত টার্নওভার হয়েছে ৫৭ কোটি ২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। সম্মিলিত নিট মুনাফা হয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৭ পয়সা।


ন্যাশনাল ফিড মিল লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ন্যাশনাল ফিডের ইপিএস হয়েছে ২১ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৯২ পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয় ১৩ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৮৪ পয়সা।

সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) সুহূদ ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬৩ পয়সা। এ হিসাবে প্রথমার্ধে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা বা ১৮২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৯৯ পয়সা।

কেঅ্যান্ডকিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কেঅ্যান্ডকিউর রাজস্ব আয় হয়েছে ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির রাজস্ব আয় হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ কোটি ২১ লাখ ২৮ হাজার টাকা। নিট মুনাফা হয়েছে ৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ লাখ ৭ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৬ টাকা ৫৯ পয়সা।


দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ২৮ পয়সা। এ হিসাবে চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ১ টাকা ২১ পয়সা বা ৫৩ দশমিক শূন্য ৭ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৯৯ পয়সা।


ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড

প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ইবনে সিনার বিক্রি হয়েছে ৩০৬ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৫৭ কোটি ১৪ লাখ ৭১ হাজার টাকা। কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২২ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৮ কোটি ৬২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ৯৬ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ইবনে সিনার বিক্রি হয়েছে ১৫৩ কোটি ৪০ লাখ ২৬ হাজার টাকা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১২৪ কোটি ৬১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। নিট মুনাফা হয়েছে ১৩ কোটি ৮৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৪৩ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৫২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৬১ পয়সা।

এদিকে প্লাস্টিক ও পলিমার পণ্য এবং পেট বোতল উৎপাদন ও বিপণনের জন্য ইবনে সিনা পলিমার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড নামে একটি সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের পরিচালনা পর্ষদ। নতুন কোম্পানিটিতে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের পাশাপাশি ইবনে সিনা ট্রাস্টেরও বিনিয়োগ থাকবে। নতুন কোম্পানির কারখানার অবস্থান হবে গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনায়। নতুন সাবসিডিয়ারি কোম্পানিটি গঠনের আগে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালকে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।

ঋণমান

রহিম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড

রহিম টেক্সটাইল মিলসের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত ও চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে রহিম টেক্সটাইল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৯০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪১ টাকা ৭১ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪০ টাকা ৯১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।


এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৫৮ পয়সা।

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত হালনাগাদ বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (আলফা রেটিং)।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৬ পয়সা।

এদিকে সদ্যসমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৮৯ পয়সা।

শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড

শাহজিবাজার পাওয়ারের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং ‘ডাবল এ ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের কাছে দায় ও হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।


৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার। এর মধ্যে ২৮ শতাংশ নগদ ও বাকি ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৩৪ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৩২ টাকা।


এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৯৩ পয়সা।


এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড

এপেক্স ট্যানারির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত ও গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এপেক্স ট্যানারি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ফেয়ার ভ্যালুয়েশন সারপ্লাস বাদ দিয়ে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৭২ টাকা ২৪ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ফেয়ার ভ্যালুয়েশন সারপ্লাস বাদ দিয়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ২৮ পয়সা।

ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড

ওরিয়ন ইনফিউশনের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং ‘এ থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের কাছে দায় ও হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। সমাপ্ত হিসাব বছরের কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১ টাকা ৬২ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৬৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছর শেষে ছিল ১২ দশমিক ৫৩ টাকা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৪৭ পয়সা।

ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালসের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং ‘এ ওয়ান’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকের কাছে দায় ও হালনাগাদ প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৪৩ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানিটির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৫ টাকা ১৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭২ টাকা ৮৮ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ওরিয়ন ফার্মার সম্মলিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৮ পয়সা। উদ্বৃত্ত পুনর্মূল্যায়নের পর ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৬ টাকা ৩৩ পয়সা, উদ্বৃত্ত পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া যা ৬৮ টাকা ১৫ পয়সা।

শেয়ারের ক্যাটাগরি পরিবর্তন

রিং শাইন টেক্সটাইলস লিমিটেড

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ায় রিং শাইন টেক্সটাইলস শেয়ারকে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৩ টাকা ১৭ পয়সা।


এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিং শাইন টেক্সটাইলসের আইপিও-পরবর্তী ইপিএস হয়েছে ৪৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানিটির আইপিও-পরবর্তী এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ১৭ পয়সা।

সোনারগাঁও টেক্সটাইলস লিমিটেড

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ায় সোনারগাঁও টেক্সটাইলস লিমিটেডের শেয়ারকে ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৩ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫৭ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৯ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৮ টাকা ৫১ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৩ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯ টাকা ৫১ পয়সা।

কেপিপিএল

৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ায় খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেডের (কেপিপিএল) শেয়ারকে ‘জেড’ থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করেছে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ জুন এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৬৭ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৫ পয়সা।

রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড
৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ায় রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারকে ‘এন’ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে। সমাপ্ত হিসাব বছরে ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য সময়ে প্রতিষ্ঠানটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৯০ পয়সা। ৩০ জুন সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬৫ টাকা ৪৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫৯ টাকা ৫৩ পয়সা।

এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির সম্মিলিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৮৮ পয়সা।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন