শনিবার| ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০| ১৫ফাল্গুন১৪২৬

প্রথম পাতা

নিত্যপ্রয়োজনীয় ১৭ পণ্য

আমদানির এলসি দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা রমজান মাসে সাধারণত বেশি থাকে। চাহিদা উৎপাদনে ঘাটতি থাকায় আমদানি করতে হয় অনেক ভোগ্যপণ্য। তবে রমজানের আগে ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য ১৭টি পণ্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলাসহ যাবতীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে গতকাল -সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

যেসব পণ্যের আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেগুলো হলো পেঁয়াজ, রসুন, মসুর ডাল, ছোলা, শুকনো মরিচ, দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনে, জিরা, আদা, হলুদ, তেজপাতা, সয়াবিন তেল, পাম ওয়েল, চিনি খাওয়ার লবণ (বিট লবণ ব্যতীত)

বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার লক্ষ্যে ১৭টি পণ্যের আমদানিকারকদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ব্যবস্থায় অনুসরণীয় বিধিবিধান পরিপালন সাপেক্ষে আমদানি ঋণপত্র স্থাপন আমদানির ক্ষেত্রে যাবতীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্নে দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখাকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য পরামর্শ দেয়া হলো।

এর আগে জানুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জিন্নাত রেহানা গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন। চিঠিতে ১৭টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তালিকাও দিয়ে দেয়া হয়। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আগামী এপ্রিলে শুরু হচ্ছে রমজান। সারা বছর প্রায় ২৪ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা থাকলেও  মাসে প্রয়োজন হয় সবচেয়ে বেশি। প্রতি বছর -১০ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়। এছাড়া প্রতি বছর প্রায় - হাজার কোটি টাকার চিনি ১৪-১৫ হাজার কোটি টাকার ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়। দুটি পণ্যের সিংহভাগ চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। এছাড়া মসলাজাতীয় পণ্য, ছোলার চাহিদার বড় অংশই মাসে প্রয়োজন হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন