শনিবার| ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০| ১৫ফাল্গুন১৪২৬

টকিজ

স্টুডিও জিবুরির অ্যানিমেশনের স্বত্ব কিনেছে নেটফ্লিক্স

ফিচার ডেস্ক

পরিচালক মিয়াজাকি ইসাও তাকাহাতার হাত ধরে ১৯৮৫ সালে যাত্রা করে স্টুডিও জিবুরি

অ্যানিমেশন মায়েস্ত্রো হায়ায়ো মিয়াজাকির ক্ল্যাসিক অ্যানিমেশন ছবিগুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্ট্রিমিং করার স্বত্ব কিনে নিয়েছে স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স। স্বত্ব অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি এখন থেকে জাপানের জনপ্রিয় অ্যানিমেশন হাউজ স্টুডিও জিবুরির সব ছবি উত্তর আমেরিকা জাপানের বাইরে পুরো দুনিয়ায় স্ট্রিমিং করতে পারবে। গতকাল ঐতিহাসিক চুক্তির খবর প্রকাশিত হয়েছে। নেটফ্লিক্স জিবুরি স্টুডিওর ২১টি ছবি স্ট্রিমিংয়ের স্বত্ব কিনেছে। এগুলোর মধ্যে আছে হায়ায়ো মিয়াজাকির প্রিন্সেস মোনোনোকে, স্পিরিটেড অ্যাওয়ে হওল মুভিং ক্যাসেল।

ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে জিবুরি স্টুডিওর ছবিগুলোর নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং। অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে ছবিগুলোর জন্য ২৮টি ভাষার সাবটাইটেল তৈরি করা হবে এবং ডাব করা হবে ২০টি ভাষায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে স্টুডিও জিবুরির ছবিগুলোর স্ট্রিমিং স্বত্ব গত বছর কিনে নিয়েছে এইচবিও ম্যাক্স। এখন জাপান যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া পুরো দুনিয়ায় স্টুডিও জিবুরির ছবি প্রদর্শনের স্বত্ব কিনে নিয়ে নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিং দুনিয়ায় তার আধিপত্যকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিল। জিবুরির কাজগুলো এশিয়া, ইউরোপ লাতিন আমেরিকায় দারুণ জনপ্রিয়, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা কানাডার চেয়ে বেশি।

নেটফ্লিক্সের অ্যানিমেশন বিভাগের প্রধান অ্যারাম ইয়াকুবিয়ান বলেছেন, ‘এটা নেটফ্লিক্স এবং এর লাখ লাখ দর্শকের জন্য স্বপ্নপূরণের মতো একটা ব্যাপার। স্টুডিও জিবুরির অ্যানিমেটেড ছবিগুলো কিংবদন্তিতুল্য; ছবিগুলো ৩৫ বছর ধরে দুনিয়াজুড়ে দর্শকদের মুগ্ধ করছে। লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা এশিয়ার বিভিন্ন ভাষায় ছবিগুলোকে দেখানোর সুযোগ পেয়ে আমরা আনন্দিত। এখন অনেক বেশি দর্শক অ্যানিমেশনের সুন্দর এক দুনিয়া দেখতে পাবেন।

পরিচালক মিয়াজাকি এবং ইসাও তাকাহাতার হাত ধরে ১৯৮৫ সালে যাত্রা করে স্টুডিও জিবুরি। এরপর থেকে স্টুডিওটি মৌলিক গল্পনির্ভর অ্যানিমেশন ছবি তৈরি করে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। স্টুডিও জিবুরির ছবি পর্যন্ত অস্কারে ছয়টি মনোনয়ন পেয়েছে এবং ২০০৩ সালে স্পিরিটেড অ্যাওয়ের জন্য  অস্কার জিতেছে।

 

সূত্র: হলিউড রিপোর্টার

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন