শনিবার| ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০| ১৫ফাল্গুন১৪২৬

শেয়ারবাজার

উদ্যোক্তাদের নিজ কোম্পানির শেয়ার নিয়ে ব্যবসা করা উচিত নয়

রিয়াদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

রিয়াদ মাহমুদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
ও ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি)

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ও অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন থেকে এমবিএ শেষ করে রিয়াদ মাহমুদ সিডনি, লন্ডন ও নিউইয়র্কে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানে জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পদে কাজ করেছেন। পরবর্তী সময়ে দেশে ফিরে তিনি ২০০৭ সালে ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদে পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। তিনি কোম্পানিটির একজন উদ্যোক্তাও। ২০০৯ সালে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব নেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ন্যাশনাল পলিমার গ্রুপ ও অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি দেশের প্রথম লিড গোল্ড সার্টিফায়েড রফতানিমুখী ফুটওয়্যার প্রতিষ্ঠান শুনিভার্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ভাইস চেয়ারম্যান এবং গ্যাস উত্তোলন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাসকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সার্ভিস কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা। পাশাপাশি তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের ফ্যাকাল্টি মেম্বার। এছাড়া  জর্জিয়ার অনারারি কনসাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তিনি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সংগঠন বিএপিএলসির ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। বণিক বার্তার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় সম্প্রতি তিনি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, পুঁজিবাজার ও নিজের প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মেহেদী হাসান রাহাত

তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সংগঠন হিসেবে বিএপিএলসি পুঁজিবাজারে কী ভূমিকা রাখছে? সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে এ বিষয়ে আপনার অভিমত জানতে চাই...
দেখুন, সবকিছুর মূলেই কিন্তু তালিকাভুক্ত কোম্পানি। যদি কোম্পানিই না থাকে, তাহলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কাকে রেগুলেট করবে? স্টক এক্সচেঞ্জইবা কাকে লিস্টিং করবে আর মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোইবা কার ইস্যু ম্যানেজার হবে? ফলে আমরা সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছি। পুঁজিবাজার নিয়ে আমাদের অবশ্যই চিন্তাভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন সময় আমরা পুঁজিবাজারের নানা ইস্যুতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আমাদের অভিমত জানিয়েছি। এই যেমন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন যে করপোরেট গভর্ন্যান্স কোড প্রণয়ন করেছে, সেটির বিষয়ে আমরা বেশকিছু মতামত দিয়েছিলাম। যদিও এর মধ্যে কিছু বিবেচনা করা হয়েছে, আবার কিছু বিবেচনা করা হয়নি। যেগুলো বিবেচনা করা হয়নি, সেগুলো নিয়ে আমাদের মাঝে হতাশাও রয়েছে। তবে আমরা কিন্তু আমাদের জায়গা থেকে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে যাচ্ছি।

অন্যান্য ব্যবসায়িক সংগঠনের তুলনায় আপনাদের কার্যক্রম তো সেভাবে দৃশ্যমান নয়...
এটা ঠিক যে আমরা হয়তো আমাদের কার্যক্রমের বিষয়ে সেভাবে গণমাধ্যমের সঙ্গে আগে কখনই শেয়ার করিনি। তবে আমরা চাই, যেন গণমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের একটি কার্যকর মিথস্ক্রিয়া গড়ে ওঠে। একইভাবে আমরাও গণমাধ্যমের কাছ থেকে আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে। পুঁজিবাজার ভালো নেই। রফতানি প্রবৃদ্ধি ছয় মাস ধরে ঋণাত্মক। বিষয়গুলোকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
পুঁজিবাজারের দুরবস্থার বিষয়টি তো দৃশ্যমান, আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু সামগ্রিকভাবে ব্যবসায়ীমহল চাপের মুখে রয়েছে। এর কারণ ব্যাংকের তারল্য সংকট। আমরা ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল ব্যাংকের কাছ থেকে পাচ্ছি না। দেড় থেকে দুই বছর ধরে এ সমস্যা চলছে। আগে আমরা ব্যাংকের কাছ থেকে যে পরিমাণ তহবিল পেয়েছি, বর্তমানে তা কমে গেছে; তাহলে বাকি তহবিল আমরা কোন জায়গা থেকে ব্যবস্থা করব। ব্যাংকগুলোকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। তারল্য সংকট থাকলে তারা কী করবে? আমার জানামতে, শেয়ারবাজারের পাশাপাশি প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর অনেকেরই বিক্রি কমে গেছে। একে তো তারল্য সরবরাহ কমে গেছে, তার ওপর বিক্রিও যদি কমে যায়, তাহলে ব্যবসায়ীরা ঋণ পরিশোধ করবেন কীভাবে? আমি ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির কথা বলছি না। যারা ভালো ব্যবসায়ী তাদের কথা বলছি। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি একটি অপরাধ। নিত্যনতুন কৌশলে ব্যাংকের অর্থ লোপাট করা হচ্ছে এটা সত্য। তাই এটিকে ঠেকানোর জন্যও নানা কৌশল অবলম্বন করতে হবে। কারণ খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যারা ভালো ব্যবসায়ী, তারা ব্যাংকের কাছ থেকে অর্থ পেতে সমস্যায় পড়বেন।

আমি মনে করি, দ্রুতই তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে। কারণ আগামী কয়েক বছরে নতুন নতুন আরো বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। তখন বিদ্যুতের সরবরাহ বেড়ে যাবে। কিন্তু ব্যবসায় তারল্য সংকট অব্যাহত থাকলে প্রবৃদ্ধি কমে যাবে। আর প্রবৃদ্ধি যদি কমে যায় এই বাড়তি বিদ্যুৎ কারা ব্যবহার করবে। বিদ্যুতের বড় ভোক্তা হচ্ছে শিল্প-কারখানাগুলো। তাই প্রবৃদ্ধি না হলে বাড়তি বিদ্যুৎ কোনো কাজে লাগবে না।

একজন গ্রাহক হিসেবে ৬ শতাংশ সুদে আমানত এবং ৯ শতাংশ সুদে ঋণের বিষয়টি আমার কাছে বেশ আকর্ষণীয়। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যাংকের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। তারা যদি কম সুদে আমানত সংগ্রহ করতে না পারে, তাহলে কম সুদে ঋণ কীভাবে দেবে। তবে আমি আশাবাদী, সরকার নয়-ছয় বাস্তবায়ন জানুয়ারির বদলে এপ্রিল থেকে নির্ধারণ করেছে। এ সময়ের মধ্যে সবার জন্য গ্রহণযোগ্য একটি সমাধান বেরিয়ে আসবে।

তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা হিসেবে পুঁজিবাজারের মন্দাবস্থার কারণ কী বলে মনে করেন?
আমার যেটা মনে হয় যে এখানে হয়তো ম্যানুপুলেটর ঢুকে গিয়েছিল। তারা যখন বাজার থেকে বেরিয়ে গেছে, তখন বাজার পড়ে গেছে। এ কারণে যেখান থেকে বাজার উঠেছিল, তার চেয়েও বেশি পড়ে গেছে। এখন এ অবস্থায় বাজারকে কে টেনে তুলবে? ম্যানুপুলেটর তো মুনাফা নিয়ে চলে গেছে সে তো আর তুলবে না। তুলতে হবে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের। কিন্তু দরপতনের কারণে তাদেরও পুঁজি তো শেষ হয়ে গেছে। তাই বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পুঁজিবাজারের জন্য একটি আলাদা তহবিল গঠন করতে হবে। এ তহবিল থেকে স্বল্পব্যয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের তারল্য সরবরাহ করতে হবে। আর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বিষয়ে বলব, এক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি করতে হবে। এখন আইপিওতে যেসব কোম্পানি আসছে এর মধ্যে অনেকগুলোই ফেস ভ্যালুর নিচে নেমে গেছে। ভালো কোম্পানি হলে, তার ব্যবসা ভালো হলে তো আর দাম কমে যেত না। তাই এদিকটায় নজর দিতে হবে। আরেকটি বিষয়, তালিকাভুক্ত কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি কিংবা উদ্যোক্তা যারা রয়েছেন, তারা যেন নিজের কোম্পানির শেয়ার নিয়ে ব্যবসা না করেন। তাদের যেটা মূল কাজ নিজের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসার বিষয়টি দেখা, সেটি নিয়েই যেন থাকেন। যদি তাদের শেয়ার ব্যবসা করতেই হয়, তাহলে নিজের প্রতিষ্ঠান বাদে অন্য কোম্পানির শেয়ার নিয়ে ব্যবসা করুন। নিজের কোম্পানির শেয়ার নিয়ে ব্যবসা করলে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি থেকেই যায়।

বাজারের অবস্থা পরিবর্তনে বিএপিএলসির কোনো প্রস্তাব আছে কি?
আমরা কিছু বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছি। তাছাড়া আমাদের নতুন কমিটি দায়িত্ব নিয়েছে মাত্র। আগে আমরা এ বিষয়ে নিজেদের ফোরামে আলোচনা করি। তারপর কী করা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।

ন্যাশনাল পলিমারের কী অবস্থা? ব্যবসা কেমন চলছে?
আমাদের মূল শক্তি হচ্ছে গুণগত মান। আমাদের স্লোগান হচ্ছে ‘এক পাইপে জীবন পার’। বাইরে থেকে পিভিসি পাইপের কোয়ালিটি খুব বেশি হয়তো বোঝা যায় না, কিন্তু সেটা ব্যবহারের পর মানুষ বুঝতে পারে যে আমাদের পাইপের গুণগত মান কেমন। দেশের প্লাস্টিক খাতের পণ্যের বাজার ৫ হাজার কোটি টাকা। এ খাতে বছরে ৬ থেকে ৭ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি। জিডিপি ও ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে প্লাস্টিক পণ্যের ভোগও বাড়ে। পিভিসি পাইপ সেগমেন্টে আমরা প্রথম আর পিভিসি ডোরে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছি।। তাছাড়া আমরা পানির ট্যাংকসহ অনেক নতুন পণ্য নিয়ে এসেছি। আমাদের প্লাস্টিকের ফার্নিচার রয়েছে। আমরা ১২৫ ডিগ্রি সেলিসিয়াস তাপমাত্রা সহ্যক্ষমতার প্লাস্টিকের পাইপ বাজারে নিয়ে এসেছি। আমরা ক্রেতার চাহিদা মেটাতে ইনোভেটিভ পণ্য নিয়ে আসছি। বড় বড় প্রতিষ্ঠান আমাদের পিপিআর পাইপ ব্যবহার করছে। আমাদের সবসময় চেষ্টা থাকে কোম্পানির প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর। কয়েক বছর ধরে আমাদের গড়ে ২২ থেকে ২৩ শতাংশ হারে ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। আর গত বছর আমাদের প্রায় ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তাছাড়া আমাদের কোম্পানিতে করপোরেট স্ট্রাকচার কঠোরভাবে পরিপালন করা হয়। সুশাসনের ক্ষেত্রে আমরা কোনো ছাড় দিই না। ১৬ বছর ধরে আইসিবি আমাদের পর্ষদে রয়েছে। তাদের পোর্টফোলিওতে অনেক কোম্পানির শেয়ার রয়েছে। তারা কিন্তু সব কোম্পানির পর্ষদে বসে না। এটিও আমাদের শক্তিমত্তার একটি দিক।

পরিবেশের ওপর প্লাস্টিক পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষায় আপনারা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন?
আমরা প্লাস্টিক পণ্য রিসাইকেল করছি। যারা পুরনো প্লাস্টিক সংগ্রহ করে থাকে, তাদের কাছ থেকে আমরা সেগুলো সংগ্রহ করে আবার নতুন পণ্য উৎপাদনে ব্যবহার করছি। তাছাড়া বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আমাদের নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। যাতে পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন করা যায়।


আপনাদের ভবিষ্যৎ ব্যবসা পরিকল্পনা কী?
আমাদের মূল গ্রাহক হচ্ছে স্যানিটারি ওয়্যারের দোকান। লক্ষ্য হচ্ছে, ব্যবসার অংশীদার যারা রয়েছেন, তাদের সেলফে থাকা সব পণ্যই হবে আমাদের। আমরা সেভাবেই পণ্য বৈচিত্র্যকরণ করছি।

প্লাস্টিক খাতে ব্যবসায় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে?
প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম ব্যবহার করতে হয়। আর পেট্রোলিয়ামের বাজার ওঠানামা করে। কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্য হচ্ছে কাস্টমস পেট্রোলিয়ামের ফিক্সড ধরে চার্জ করছে। এতে যখন আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোলিয়ামের দাম কম থাকে, তখনো আমাদের বেশি ডিউটি দিতে হয়। এতে ছোট আকারের প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি সমস্যায় পড়ছে। আমি মনে করি, পেট্রোলিয়ামের দর আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিবেচনা করা উচিত।

বিনিয়োগকারীদের প্রতি আপনার পরামর্শ...
আমাদের কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) দেখেছি যে অনেক বিনিয়োগকারী আর্থিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের প্রশ্ন করে থাকেন। তার মানে, বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ যথেষ্ট সচেতন এবং তারা জেনে-বুঝে নিজের বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে বিনিয়োগ করছেন। আবার আরেক শ্রেণীর বিনিয়োগকারী রয়েছেন, যারা অন্যের কাছ থেকে শুনে বিনিয়োগ করে থাকেন। আমার অনুরোধ থাকবে যে না বুঝে বিনিয়োগ করবেন না। যদি আপনার বিনিয়োগের একান্তই ইচ্ছা থাকে, তাহলে আগে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করে তারপর বিনিয়োগ করুন।

আপনাকে ধন্যবাদ
বণিক বার্তাকেও ধন্যবাদ 

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন