রবিবার| মার্চ ২৯, ২০২০| ১৪চৈত্র১৪২৬

শেয়ারবাজার

এমিরেটস সিমেন্ট ও এমিরেটস পাওয়ার

অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক

আল্ট্রাটেক সিমেন্ট মিডল ইস্ট ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের কাছ থেকে এমিরেটস সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড এমিরেটস পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের শতভাগ শেয়ার ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড। এর মধ্য দিয়ে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের পূর্ণাঙ্গ মালিকানাধীন সাবসিডিয়ারিতে পরিণত হলো কোম্পানি দুটি। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

উল্লেখ্য, কোম্পানি দুটি অধিগ্রহণ মূল্য ধরা হয়েছিল কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৬৮৪ ডলার বা ১৮২ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার ৩৮৪ টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে ভারতীয় আদিত্য বিরলা গ্রুপ কর্তৃক ইটিএ স্টার সিমেন্টকে অধিগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে আল্ট্রাটেক সিমেন্টের উৎপাদন শুরু হয়। পরবর্তীতে আদিত্য বিরলা গ্রুপ বাংলাদেশে এমিরেটস সিমেন্ট নামে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করে কার্যক্রম চালায়। এমিরেটস সিমেন্টের মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে বার্ষিক দশমিক মেট্রিক সক্ষমতার একটি গ্রাইন্ডিং প্লান্ট রয়েছে। অন্যদিকে কাঁচপুর চট্টগ্রামে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের দুটি গ্রাইন্ডিং প্লান্ট রয়েছে। কোম্পানিটির বর্তমান বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ ৭৫ হাজার টন। কাঁচপুরের প্লান্টে নির্মাণাধীন নতুন গ্রাইন্ডিং মিলের কাজ শেষ হলে এর সঙ্গে আরো লাখ ৭২ হাজার টন পিসিসি সিমেন্ট উৎপাদনের সক্ষমতা যোগ হবে।

উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৮ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৭৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ টাকা ৩৩ পয়সা শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮২ টাকা ৬৮ পয়সায়। এর আগে ২০১৭ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১৪ টাকা ২১ পয়সা আর এনএভিপিএস ছিল ৮৩ টাকা ১৭ পয়সা। সে হিসাব বছরে কোম্পানিটি ১৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। তাছাড়া ২০১৬ ২০১৫ হিসাব বছরে ৩০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ টাকা ৬৯ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানির সম্মিলিত শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে টাকা ৫৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে টাকা ১৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির সম্মিলিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৫ টাকা ৩৫ পয়সা।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন