শনিবার| ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০| ১৫ফাল্গুন১৪২৬

শেষ পাতা

১২০০ কোটি টাকা পাচার

মিরর রিয়েল এস্টেটের কর্ণধার গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মিরর রিয়েল স্টেটের কর্ণধর দিদারুল আলম টিটুকে গ্রেফতার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তর। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, অস্তিত্বহীন তিন প্রতিষ্ঠানের নামে জাল দলিলে এলসি খুলে আমদানি নিষিদ্ধ নিয়ন্ত্রিত পণ্য আমদানির আড়ালে হাজার ১৯৭ কোটি টাকা পাচার করেছেন তিনি। জাল দলিল তৈরিতে সহায়তা করায় তার অফিসের কম্পিউটার অপারেটর কবির হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

গতকাল রাজধানীর বিজয়নগর থেকে তাদের দুজনকে গ্রেফতারের পর কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানানো হয়। ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আরো ১০ আসামি এখনো অধরা রয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক . মো. সহিদুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দিদারুল আলম টিটু আবাসন ব্যবসায়ী হলেও দীর্ঘদিন ধরেই জাল দলিলে এলসি খুলে আমদানি নিষিদ্ধ নিয়ন্ত্রিত পণ্য আমদানির আড়ালে মুদ্রা পাচার করে আসছিলেন। জাল দলিল তৈরির কাজটি করতেন মিরর রিয়েল এস্টেটের কম্পিউটার অপারেটর টিটুর প্রধান সহযোগী কবির হোসেন। সর্বশেষ তারা মেসার্স এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি, হেনান আনহুই এগ্রো এলসি এবং হেব্রা ব্রাঙ্কো নামের তিনটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান খুলে মিথ্যা ঘোষণায় পোলট্রি ফিড মেশিনারি আমদানির ঘোষণা দিয়ে হাজার ১৯৭ কোটি টাকা মানি লন্ডারিং করেছেন। জাল দালিলে এলসিগুলো খোলা হয় আইএফআইসি ব্যাংকের পল্টন শান্তিনগর শাখায়। পরে ঘটনায় পল্টন থানায় ওই তিন প্রতিষ্ঠানের ১১ জনকে আসামি করে ১৫টি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত অধিদপ্তর।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আব্দুল মোতালেবের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হেনান আনহুই এগ্রো এসসি এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি ২০১৭ সালে ১৫টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে পোলট্রি ফিডের ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি করে। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসের সময় কাস্টমস গোয়েন্দারা তল্লাশি চালিয়ে ১২টি কনটেইনার থেকে বিপুল পরিমাণ সিগারেট, এলইডি টেলিভিশন, ফটোকপিয়ার মেশিন মদ পান। ঘটনায় ওই বছরের ২৭ নভেম্বর মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা করা হয়। দুই বছরের অনুসন্ধান শেষে সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে আমদানি নিষিদ্ধ নিয়ন্ত্রিত পণ্য

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন