মঙ্গলবার| জানুয়ারি ২১, ২০২০| ৮মাঘ১৪২৬

সংকেত

সপ্তাহের শেয়ারবাজার

সূচক ও লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক ডিএসইএক্স লেনদেন দুটোই বেড়েছে। একইভাবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মূল্যসূচক সিএসসিএক্স লেনদেনও বেড়েছে।

দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসইতে গত সপ্তাহ শুরু হয়েছিল ডিএসইএক্সের পতনের মধ্য দিয়ে। এদিন সূচকটি পয়েন্ট হারায় ১৮। তবে এর পরের চার কার্যদিবসেই সূচকটিতে উত্থান দেখা গেছে। হাজার ৭০৬ পয়েন্ট নিয়ে রোববার লেনদেন শুরু করা ডিএসইএক্স দিন শেষে ছিল হাজার ৬৮৮ পয়েন্টে। শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে সূচক বেড়ে দাঁড়ায় হাজার ৭৩১ পয়েন্ট। এক সপ্তাহে ডিএসইএক্সে যোগ হয়েছে ২৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৩ শতাংশ।

ডিএসইর প্রধান সূচক বাড়লেও গত সপ্তাহে দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমেছে ব্লু চিপ সূচক ডিএস-৩০। দশমিক ১৮ শতাংশ কমে সপ্তাহ শেষে হাজার ৬৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে সূচকটি, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল হাজার ৬৫০ পয়েন্টে। অন্যদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দশমিক ৩৯ পয়েন্ট বেড়েছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস। বৃহস্পতিবার হাজার ৮২ পয়েন্টে অবস্থান করছে সূচকটি, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল হাজার ৮১ পয়েন্টে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে। গত সপ্তাহে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে ৪৭৫ কোটি ২১ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৩৯৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে হাজার ৩৭৬ কোটি লাখ টাকা, আগের সপ্তাহে যা ছিল হাজার ৯৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে মোট লেনদেন ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে বেশির ভাগ শেয়ারের দর বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ৩৫৭টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড করপোরেট বন্ডের মধ্যে সপ্তাহ শেষে দর বেড়েছে ১৮০টির, কমেছে ১৫৬টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৯টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেনের যৌথভাবে ১৪ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে ছিল বস্ত্র প্রকৌশল খাত। মোট লেনদেনের ১৩ শতাংশ দখলে নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওষুধ রসায়ন খাত। এছাড়া ১২ শতাংশ দখলে নিয়ে সাধারণ বীমা খাত তৃতীয় ১১ শতাংশ দখলে নিয়ে ব্যাংক খাত চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ সিকিউরিটিজ ছিল লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, ফরচুন সুজ লিমিটেড, ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেড, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, লংকাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেড, কাট্টলি টেক্সটাইল লিমিটেড, বিবিএস কেবলস লিমিটেড গ্রামীণফোন লিমিটেড।

সমাপনী দরের ভিত্তিতে ডিএসইতে দরবৃদ্ধির শীর্ষ কোম্পানিগুলো ছিল তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সায়হাম টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, জাহিন স্পিনিং লিমিটেড, ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড, কুইন সাউথ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড, আলহাজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

দেশের আরেক শেয়ারবাজার সিএসইতে গত সপ্তাহে সিএসসিএক্স দশমিক ৭৮ শতাংশ বা ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে হাজার ৭৪৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল হাজার ৬৭৫ পয়েন্ট। নির্বাচিত ৩০ কোম্পানির সূচক সিএসই ৩০ ইনডেক্স দশমিক ১৮ শতাংশ বা ২৬ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৪৪৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১২ হাজার ৩৭০ পয়েন্ট।

সিএসইতে পাঁচ কার্যদিবসের লেনদেনে মোট ১০০ কোটি ৭০ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ হাতবদল হয়েছে। লেনদেন হওয়া ৩০৮টি কোম্পানি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ১২৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২১টির বাজারদর।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন