শনিবার | মে ৩০, ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

প্রথম পাতা

যুব ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের ঠিকাদারি ব্যবসা

গ্রেফতার ও আত্মগোপনে প্রকল্পের কাজে স্থবিরতা

তাসনিম মহসিন ও ওমর ফারুক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের পয়োনিষ্কাশন পানির লাইন প্রতিস্থাপন এবং রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয় চলতি বছরের মার্চে। ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকায় কাজটি পায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হাসান জুয়েলের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই লাপাত্তা ঠিকাদার তার লোকজন। এতে বন্ধ হয়ে গেছে প্রকল্পের কাজও।

টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি বা সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে ঢাকার মতো অভিযান এখনো শুরু হয়নি চট্টগ্রামে। কিন্তু এরই মধ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এখানকার ডজনখানেক যুবলীগ নেতা। কেউ কেউ দেশ ছেড়েছেন। অনেকে এলাকায় থাকলেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন না। ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য এলাকার যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের অবস্থাও একই রকম। গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে তাদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীন প্রকল্পের কাজ।

ঢাকায় ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হয় গত ১৮ সেপ্টেম্বর। অভিযানের পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারা। ঠিকাদাররা আত্মগোপনে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে ঢাকায় চলমান রাস্তা সংস্কার থেকে শুরু করে পয়োনিষ্কাশন প্রতিস্থাপন সংস্কারকাজের অধিকাংশ।

বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রকল্পগুলোর একটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের পয়োনিষ্কাশন পানির লাইন প্রতিস্থাপন এবং রাস্তা সংস্কার প্রকল্প। সরজমিন প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১৯ নং ওয়ার্ডের সিদ্ধেশ্বরী রোড, সিদ্ধেশ্বরী লেন, বেইলি রোডসহ অন্যান্য স্থানে রাস্তার একপাশে পড়ে আছে সুয়ারেজের বড় বড় পাইপ। রাস্তার আরেক পাশ কাটা। ফলে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। তারা বলছেন, সরকারের শুদ্ধি অভিযান শুরুর পরপরই ঠিকাদার পালিয়ে গেছেন।

১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. মুন্সি কামরুজ্জামান বণিক বার্তাকে বলেন, নিয়ে আমি বহুবার যুদ্ধ করেছি। কিন্তু কোনো ফল পাইনি। ঠিকাদারকে ফোন করলে কোনো কাজ হয় না। প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী এমনকি মেয়রকেও বিষয়ে বলেছি। এখন শুনছি ঠিকাদার যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন।

ঢাকার মতোই গা ঢাকা দিয়েছেন চট্টগ্রামে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতারাও। কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর চট্টগ্রামে সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করতেন। জিকে শামীম গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পালিয়ে গেছেন বলে

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন