বুধবার | আগস্ট ০৫, ২০২০ | ২১ শ্রাবণ ১৪২৭

শেষ পাতা

তিন বেলা খেতে পারে না কুড়িগ্রামের ৩০% পরিবার

সাইদ শাহীন

দেশের শীর্ষ দারিদ্র্যপ্রবণ জেলা কুড়িগ্রাম। দারিদ্র্যের প্রভাব অঞ্চলের মানুষের জীবনের কতটা গভীরে শিকড় গেড়ে বসেছে, তার কিছুটা আভাস পাওয়া যায় বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) পরিচালিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। বিআইডিএসের ওই গবেষণা বলছে, এখনো নিয়মিত তিন বেলা খেতে পায় না জেলাটির প্রায় ৩০ শতাংশ পরিবারের মানুষ। সার্বক্ষণিক খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে শতাংশকে।

হোয়াই ইজ পভার্টি সো পারভাসিভ অ্যান্ড ইনক্রিজিং ইন সাম ডিস্ট্রিক্টস ইন বাংলাদেশ? শীর্ষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক . কেএএস মুরশিদ এবং জ্যেষ্ঠ গবেষণা ফেলো . এসএম জুলফিকার আলী।

গবেষণায় দেখা গেছে, জেলার ৭০ দশমিক শতাংশ পরিবার এখনো দরিদ্র। গত ছয় বছরে জেলাটিতে দারিদ্র্য বেড়েছে প্রায় দশমিক ১০ শতাংশ। জেলার সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশ মানুষের আয় এখানকার মোট আয়ের মাত্র শতাংশ। আবার গত ১০ বছরে আয়ের কোনো পরিবর্তন হয়নি প্রায় ৩৫ শতাংশ পরিবারের। অনেক ক্ষেত্রে মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে গিয়েই হিমশিম খাচ্ছেন জেলার স্থানীয় বাসিন্দারা। জেলার মোট পরিবারের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশই নিয়মিতভাবে তিন বেলা খেতে পায় না। আবার মাঝেমধ্যে খাদ্য ঘাটতিতে থাকা পরিবারের হার ৩৯ দশমিক শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক শতাংশে। অন্যদিকে খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকা পরিবারের সংখ্যা ১৫ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে দশমিক শতাংশে।

বিষয়ে বিআইডিএস মহাপরিচালক . কেএএস মুরশিদ বণিক বার্তাকে বলেন, জেলার মানুষগুলো দিনমজুরির ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। আবার অর্থায়ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতেও তাদের প্রবেশগম্যতা খুবই কম। অবকাঠামো উন্নয়ন এখনো পর্যাপ্ত নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অঞ্চলের মানুষ আয়-বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা আঞ্চলিক অর্থনীতি বেগবান করতে না পারলে খুব সহজেই অঞ্চলের মানুষকে ধরনের সামাজিক দুর্বল অবস্থান থেকে বের করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়ন বিশেষ করে নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বাড়াতে হবে সরকারি সুবিধায় দরিদ্রদের প্রবেশগম্যতাও।

জেলাটির মানুষের দারিদ্র্যের কারণ অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের কারণে ভূমিহীন হচ্ছে মানুষ। শিল্পভিত্তিক তেমন কর্মসংস্থান না থাকার পাশাপাশি কৃষি চরাঞ্চলভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও তেমন একটা গতি আসেনি। নদী মত্স্যসম্পদকেন্দ্রিক অর্থনীতি অনেকটাই বিলুপ্তির পথে। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন