শনিবার | আগস্ট ০৮, ২০২০ | ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

শেষ পাতা

অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস

রফতানি কমেছে ৭.৫৯%

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ থেকে পণ্য রফতানি কমছেই। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বিশ্ববাজারে হাজার ৫৭৭ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। যদিও গত অর্থবছরের একই সময়ে হাজার ৭০৭ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল। সে হিসেবে এবার রফতানি কমেছে দশমিক ৫৯ শতাংশ। রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ রফতানি পরিসংখ্যানে তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হালনাগাদ রফতানি পরিসংখ্যান গতকাল প্রকাশ করেছে ইপিবি। এতে দেখা যায়, প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের রফতানি কমে যাওয়ার প্রভাবে সামগ্রিক রফতানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে পোশাক পণ্যের রফতানি কমেছে দশমিক ৭৪ শতাংশ। পোশাকের মতো চামড়া চামড়াজাত পণ্যের রফতানিও ১০ দশমিক শূন্য শতাংশ কমেছে সময়। তবে ১৫ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়েছে পাট পাটজাত পণ্যের রফতানি।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে দেশ থেকে পোশাক রফতানি হয় হাজার ৪১৮ কোটি ৬২ লাখ ডলারের। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা হাজার ৩০৮ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ডলারে নেমে এসেছে। অর্থাৎ রফতানি কম হয়েছে ১০৯ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য।

দেশের রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক থেকে। পণ্যটির রফতানি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক রফতানিতে। মূলত চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক থেকেই পোশাকসহ সামগ্রিক রফতানিতে পতন শুরু হয়। জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সামগ্রিক রফতানি কমেছিল দশমিক ৯৪ শতাংশ, আর পোশাক রফতানি কমেছিল দশমিক ৬৪ শতাংশ। এরপর জুলাই-অক্টোবর সময়ে সামগ্রিক রফতানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি দশমিক ৮২ শতাংশে দাঁড়ায়, যা পোশাকের ক্ষেত্রে হয় দশমিক ৬৭ শতাংশ। সর্বশেষ পাঁচ মাসের হিসাবে সামগ্রিক রফতানি কমেছে দশমিক ৫৯ শতাংশ, আর পোশাক রফতানি কমেছে দশমিক ৭৪ শতাংশ।

পোশাক রফতানিকারকরা বলছেন, পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা যে বিপন্ন হচ্ছে, তারই প্রকাশ ধারাবাহিক রফতানি কমত?

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন