মঙ্গলবার | জুলাই ১৪, ২০২০ | ৩০ আষাঢ় ১৪২৭

প্রথম পাতা

ঈগল পরিবহনের ব্যবসায় সংকোচন

ব্যাংকের শতকোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে না কাপুড়িয়া পরিবার

হাছান আদনান ও আবদুল কাদের

সীমিত পরিসরে ট্রেডিং ব্যবসা দিয়ে শুরু। দুই দশক আগে নাম লেখান পরিবহন ব্যবসায়। ঈগল পরিবহন নামে পবিত্র কাপুড়িয়া অপু কাপুড়িয়ার ব্যবসা বিস্তৃত হয়েছে সারা দেশে। পাশাপাশি ভোগ্যপণ্য আমদানিতেও নামে কাপুড়িয়া পরিবার। বছর পাঁচেক আগে মসুর ডালের বড় চালান আমদানি করে তারা। ডালের সে ব্যবসাই ডুবিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ী পরিবারকে। পরিবারের কাছে চার ব্যাংকের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় শতকোটি টাকা। দফায় দফায় পুনঃতফসিল করার পরও তা পরিশোধ করছে না কাপুড়িয়া পরিবার।

ভোগ্যপণ্যে বড় লোকসানের ধাক্কা লেগেছে ঈগল পরিবহনেও। জানা গেছে, কোম্পানিটির অনেক বাস এখন বসে আছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে পরিবহন পুলে পড়ে আছে প্রায় ২০০ বাস।

ব্যাংকাররা বলছেন, কাপুড়িয়া পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে টাকা পাচার করেছেন। ব্যাংকঋণের অর্থ সরিয়ে নেয়ার কারণেই অপু কাপুড়িয়া পবিত্র কাপুড়িয়ার ব্যবসায় ধস নেমেছে। দেশে দেশের বাইরে প্রচুর সম্পদ থাকলেও ব্যাংকের টাকা ফেরত দিচ্ছেন না দুই ভাই। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছেন দফায় দফায়। তাদের লক্ষ্য ব্যাংকের টাকা ফেরত না দেয়া।

যশোরের কাপুড়িয়া পরিবারের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো এমকে মোটরস, আরজি ট্রেডার্স অর্ণব এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানগুলোয় ঋণ রয়েছে এনসিসি, আইএফআইসি, ব্যাংক এশিয়া সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের। সব মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ প্রায় শতকোটি টাকা।

কাপুড়িয়া পরিবারকে ঋণ দিয়ে বিপদে আছে এনসিসি ব্যাংক। পরিবারের দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকটির ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা রয়েছে এমকে মোটরসের কাছে। বাকি ১২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আছে অর্ণব এন্টারপ্রাইজের নামে। ঋণ নিয়ে অনেক দিন থেকেই বেকায়দায় রয়েছে ব্যাংকটি। শ্রেণীকৃত হওয়ায় এখন পর্যন্ত চারবার পুনঃতফসিল করা হয়েছে ঋণটি। সর্বশেষ পুনঃতফসিলের পর এখন পর্যন্ত কোনো কিস্তি পরিশোধ করেনি কাপুড়িয়া পরিবার। ফলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ঋণটি আবারো খেলাপির খাতায় তুলবে এনসিসি ব্যাংক।

বহুবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কাপুড়িয়া পরিবার ব্যাংকের অর্থ পরিশোধ করেনি বলে জানান এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, মসুরের ডালসহ ভোগ্যপণ্য আমদানির জন্য আমরা এলসি সুবিধা দিয়েছিলাম। কিন্তু পাঁচ বছর পার হলেও অপু কাপুড়িয়া পবিত্র কাপুড়িয়া ব্যাংকের অর্থ পরিশোধ করেননি। ঈগল পরিবহনের

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন