বুধবার | জুলাই ০৮, ২০২০ | ২৪ আষাঢ় ১৪২৭

শেষ পাতা

পুলিশের তথ্য

সড়ক দুর্ঘটনা ১০ বছরে সর্বোচ্চে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের পরিকল্পনা, ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা নেমে আসবে অর্ধেকে। যদিও পরিসংখ্যান বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) গত ১০ বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা। বাংলাদেশ পুলিশের দেয়া তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে তিন হাজারের বেশি সংখ্যক, যা এমনকি বার্ষিক হিসেবেও ২০০৯ সালের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ বছরে সর্বোচ্চে।

বাংলাদেশ পুলিশের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে হাজার ৯টি। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন হাজার ৬০ জন। আহত হয়েছেন আরো হাজার ২৯২ জন। এর আগে ২০০৯ সালে এর চেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছিল, হাজার ৩৮১টি। অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনায় চলতি বছরের তুলনায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছিল সর্বশেষ ২০০৮ সালে। ওই বছর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন হাজার ৭৬৫ জন।

প্রসঙ্গত, সরকারের বিভিন্ন দপ্তর সংস্থা সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ পুলিশের দেয়া তথ্য ব্যবহার করে থাকে। যদিও বেসরকারি হিসাবে এসব দুর্ঘটনা হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। একইভাবে পরিবহন ব্যবস্থাপনাও ত্রুটিপূর্ণ। নিয়ন্ত্রক আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যেও রয়েছে সমন্বয়হীনতা।

দেশের পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতার পাশাপাশি সড়ক ব্যবহারকারীদের অসচেতনতাও দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৯ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছিল হাজার ৯৫৮। পরের বছর তা নেমে আসে হাজার ৬৪৬-এ। ২০১১ সালে তা আরো কমে দাঁড়ায় হাজার ৫৪৬ জনে। এরপর ২০১২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ছিল হাজার ৫৩৮। ২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান হাজার ৯৫৭ জন। ২০১৪ সালে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় হাজার ৬৭-তে। এর পর থেকেই ঊর্ধ্বমুখিতার ধারা বজায় রেখেছে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা। ২০১৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান হাজার ৩৭৬ জন। ২০১৬ সালে সংখ্যা আরেকটু বেড়ে দাঁড়ায় হাজার ৪৬৩। এরপর ২০১৭ সালে হাজার

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন