শনিবার | ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

প্রথম পাতা

ভোগ্যপণ্য

ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে কি অসহায় আইন

সাইদ শাহীন ও সুজিত সাহা

বাজার অস্থির হয় মূলত চাহিদা জোগানে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হলে। আবার কখনো আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের দাম দ্রুত অস্বাভাবিক বেড়ে গেলেও তার প্রভাব পড়ে স্থানীয় বাজারে। কোনো কোনো সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগে শস্যের ক্ষতি হলেও তার চাপ পড়ে দ্রব্যের বাজারমূল্যে। কিন্তু বাংলাদেশের পণ্যবাজার অস্থির করছে ব্যবসায়ীদের (আমদানিকারক পাইকারি ব্যবসায়ী) আচরণ। কখনো নিজেদের মধ্যে সিন্ডিকেট করে, কখনো রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার সুবিধা নিয়ে পণ্যমূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছেন তারা। যদিও বাজার নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট আইন আছে। কোন পণ্য কতদিন মজুদ করা যাবে, সে বিধানও আছে। বাজার স্বাভাবিক করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে তাত্ক্ষণিক নানা সিদ্ধান্তও নেয়া হয়, যার বেশির ভাগ যায় বড় ব্যবসায়ীদের অনুকূলে।

উৎসব ঘিরে সারা বিশ্বেই নিত্যব্যবহার্য পণ্যমূল্য কম থাকে। রমজানে সব মুসলিমপ্রধান দেশই নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে রাখে। এর উল্টো আচরণ করে বাংলাদেশের বাজার। ওই সময়টাতেই পণ্যের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। আর একেক পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ হয় একেক অঞ্চল থেকে। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন সাধারণত কুষ্টিয়া, নওগাঁ, জয়পুরহাট দিনাজপুরের ১২-১৫ জন বড় চালকল মালিক। ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ চট্টগ্রামভিত্তিক পাঁচ-সাতটি পরিশোধন কারখানা। একই এলাকার -১০টি পরিশোধন কারখানা নিয়ন্ত্রণ করে চিনির বাজার। আর মসলার বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা রাখেন চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। ঢাকার মৌলভীবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীদের হাতেও থাকে বাজারের নিয়ন্ত্রণ। দুই বাজারের ২০-২৫ জন আমদানিকারক মূলত মসলার বাজারে কর্তৃত্ব করেন।

যদিও বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রতিযোগিতা আইন রয়েছে দেশে। আইনের তৃতীয় অধ্যায়ে বলা আছে, পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় মূল্য অস্বাভাবিকভাবে নির্ধারণ করলে; উৎপাদন, সরবরাহ, বাজার সীমিত করলে তা প্রতিযোগিতার পরিপন্থী বলে গণ্য হবে।

এছাড়া খাদ্যশস্য খাদ্যসামগ্রী মজুদের পরিমাণ মেয়াদ নির্ধারণ করে ২০১১ সালের মে মাসে আদেশ জারি করে খাদ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। এতে চাল, গম গমজাত দ্রব্য ছাড়াও ভোজ্যতেল (সয়াবিন পামঅয়েল), চিনি ডালকে খাদ্যসামগ্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ব্যবসায়ী পর্যায়ে পাইকারি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ধান চাল মজুদের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩০০ টন মেয়াদ ৩০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ১৫ দিন মজুদ করা যাবে। আর মজুদের পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ১৫ টন। গম গমজাত দ্রব্যের পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে ৩০ দিন মেয়াদে সর্বোচ্চ ২০০ টন মজুদ করা যাবে। খুচরা ব্যবসায়ী পণ্যটি সর্বোচ্চ ১০ টন মজুদ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে মেয়াদ ১৫ দিন। ধান, চাল গম আমদানিতে মজুদের অনুমোদিত মেয়াদ ৩০ দিন। আমদানি করা পণ্যে শতভাগই মজুদ করতে পারেন আমদানিকারক।

পরিশোধিত চিনি পাইকারি ব্যবসায়ীরা ৩০ দিন পর্যন্ত মজুদ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে মজুদের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০ টন। খুচরা বিক্রির ক্ষেত্রে অনুমোদিত মজুদের পরিমাণ সর্বোচ্চ টন মেয়াদ ২০ দিন। আমদানির ক্ষেত্রে আমদানীকৃত পণ্যের ৫০ শতাংশ মজুদ করা যাবে। ৪০ দিন পর্যন্ত পণ্যটি মজুদ করতে পারবেন আমদানিকারক।

সয়াবিন পামঅয়েলদুই ধরনের ভোজ্যতেলের পাইকারি বিক্রির ক্ষেত্রে মজুদের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩০ টন মেয়াদ ৩০ দিন। খুচরা বিক্রির ক্ষেত্রে ভোজ্যতেল মজুদের সর্বোচ্চ পরিমাণ টন। ২০ দিন পর্যন্ত পণ্য মজুদ করতে পারবেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। আমদানি করা ভোজ্যতেলের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মজুদ করার সুযোগ রয়েছে আমদানিকারকের। ৫০ দিন পর্যন্ত ভোজ্যতেল মজুদ করে রাখা যাবে।

আর চালকলের ধরন অনুযায়ী আলাদাভাবে ধান-চাল মজুদের পরিমাণ মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। অটোমেটিক মেজর চালকলের ক্ষেত্রে পাক্ষিক ছাঁটাই ক্ষমতার পাঁচ গুণ পর্যন্ত ধান দুই গুণ পর্যন্ত চাল মজুদ করা যাবে। ধান ৩০ দিন চাল ১৫ দিন পর্যন্ত মজুদ করতে পারবেন অটোমেটিক মেজর চালকল মালিক। হাস্কিং মিলের ক্ষেত্রে পাক্ষিক ছাঁটাই ক্ষমতার পাঁচ গুণ পর্যন্ত ধান মজুদ করা যাবে। চাল মজুদ করা যাবে সর্বোচ্চ ১০০ টন। ধান মজুদের মেয়াদ ৩০ দিন চালের ক্ষেত্রে তা ১৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

তার পরও সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে বাজার অস্থির করার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব বিস্তারকারী চর্চাগুলো নির্মূল করার পাশাপাশি প্রতিযোগীকে উৎসাহিত করা বজায় রাখায় আমরা কাজ করছি। বর্তমানে পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। কোনো ব্যবসায়ী কারসাজি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোথাও কোনোভাবে মনোপলি কিংবা সিন্ডিকেট দেখলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাস দেড়েক ধরে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক করায় ব্যস্ত রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা। এর মধ্যেই বাড়তে থাকে চালের দামও। কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি - টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চালের বাজার মূলত মজুদ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। মিলারদের কাছে যেখানে প্রায় ৯৭ লাখ টন চালের মজুদ ক্ষমতা রয়েছে, সেখানে সরকারের আছে মাত্র ২১ লাখ টন। ফলে চালের বাজারে অঘোষিত নিয়ন্ত্রক এখন মিলাররা। কুষ্টিয়া, নওগাঁ, জয়পুরহাট দিনাজপুরের ১২-১৫টি বড় মিলারই মূলত চালের বাজারের নিয়ন্ত্রক।

গুটিকয় মিলারের হাতে চালের বাজার নিয়ন্ত্রিত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ চালকল মালিক সমিতির সভাপতি কুষ্টিয়ার রশিদ অ্যাগ্রো ফুড প্রডাক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ বণিক বার্তাকে বলেন, যে দামে ধান পাওয়া যায়, সে অনুযায়ী চালের দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করা হয়। ধানের দামে এবং বিপণন ব্যবস্থায় পরিবর্তন হলেই কেবল দামের পরিবর্তন হয়। কখনই বাড়তি মজুদ বা জিম্মি করে দাম বাড়ানো হয় না। আমাদের ব্যবসায় সিন্ডিকেটের কোনো প্রশ্নই আসে না। দেশের মানুষের মুখে ভাত তুলে দেয়াকে আমরা দায়িত্ব মনে করি।

বাজেট ঘোষণার পর থেকেই বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। এখনো বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। দেশে ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে মূল ভূমিকা রাখছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ চট্টগ্রামভিত্তিক কিছু পরিশোধন কারখানা ব্যবসায়ী। কয়েকটি শিল্পগ্রুপ ভোজ্যতেল আমদানি করলেও ট্রেডিং বাণিজ্যের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক থাকায় খাতুনগঞ্জ থেকেই মূলত নিয়ন্ত্রণ হয় দেশের ভোজ্যতেলের বাজার। বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা বাড়তি থাকলেও আগের আমদানি করা ভোজ্যতেল বর্তমান বাজারে বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা হচ্ছে। এর আগে ২০১০ ২০১১ সালের দিকে বিশ্ববাজারে বুকিং দর বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে ভোজ্যতেলের দাম দেশের বাজারে রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে যায়।

পরিশোধন কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি খাতুনগঞ্জভিত্তিক ভোজ্যতেলের বড় পাইকারি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে মেসার্স আরএম এন্টারপ্রাইজ, এএম এন্টারপ্রাইজ, আল সাফা ট্রেডিং, আলম ট্রেডিং, আহাদ ট্রেডিং, বিসমিল্লাহ গ্রুপ, নাসির ট্রেডিং, মীর গ্রুপ, এনআর ট্রেডিং, দয়াল ট্রেডিং, ইসমাইল আবুল আইচ, শাকিল এন্টারপ্রাইজ, দীন কোম্পানি ইত্যাদি। এর মধ্যে আল সাফা ট্রেডিং, আরএম এন্টারপ্রাইজ, এএম এন্টারপ্রাইজ, মীর গ্রুপ, আলম ট্রেডিং, বিসমিল্লাহ গ্রুপ সবচেয়ে বড়। এদের মধ্যে কেউ কেউ চিনিরও বড় ব্যবসায়ী।

ভোজ্যতেলের মতো দেশের চিনির বাজারে অস্থিরতাও নতুন নয়। চিনির বাজার কারসাজির দায়ে ২০১৬ সালে খাতুনগঞ্জের মীর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সালামসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তার পরও সিন্ডিকেট ব্যবসা থামেনি।

দেশের চিনির বাজারের নিয়ন্ত্রণ মূলত মুষ্টিমেয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে। সিটি, মেঘনা, দেশবন্ধু, আব্দুল মোনেমসহ কয়েকটি কোম্পানি অপরিশোধিত চিনি এনে পরিশোধনের মাধ্যমে দেশের বাজারে বিক্রি করে। বাংলাদেশ খাদ্য চিনি শিল্প করপোরেশনের অধীনে সরকারি মিলে চিনি উৎপাদন হলেও সেটি দেশীয় চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। ফলে দেশে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে চিনি শিল্প করপোরেশন অনেকটা ব্যর্থ। কারণে গ্রীষ্মকালীন মৌসুম কিংবা রাষ্ট্রীয় উৎসবকালীন মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধিকে পুঁজি করে চিনির দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়। খাতুনগঞ্জের আলোচিত ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানগুলোও চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে। কয়েক মাস আগেও চিনির পাইকারি মূল্য মণপ্রতি ছিল হাজার ৮০০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে প্রায় হাজার টাকার বেশি মূল্যে লেনদেন হচ্ছে।

দেশের মসলার বাজার মূলত আমদানিনির্ভর। আমদানীকৃত আস্ত মসলার বাজারে বড় প্রভাবশালী বোম্বাইওয়ালাখ্যাত ব্যবসায়ীরা। গুজরাটি সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীরা আমদানিকারকদের কাছ থেকে মসলা সংগ্রহ করে সারা দেশেই সরবরাহ করেন। মেসার্স এবি ট্রেডার্স, গুলিস্তান ফিড, আবেদিন ট্রেডার্স, আফসার ট্রেডিং, মেসার্স রায়মোহন চৌধুরী, আল মদিনা ওভারসিজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এলাচের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসায় জড়িত ব্যবসায়ীরা খাতে ঢুকে পড়েছেন। কারণে সর্বশেষ গত মঙ্গলবার দীর্ঘদিন পর এলাচের পাইকারি দাম রেকর্ড হাজার ১৫ টাকা কেজিতে লেনদেন হয়েছে। এলাচের আমদানিকারকদের চেয়েও নতুন বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের মাধ্যমে এলাচের বাজারকে অস্থির করছেন। বর্তমান আন্তর্জাতিক বুকিং দর বাড়তি থাকায় আগামীতেও এলাচের দাম কমবে না বলে মনে করছেন খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা। কারণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে এলাচসহ বিভিন্ন মসলা পণ্যে বিনিয়োগ পণ্যবাজারকে ঝুঁকিপূর্ণ করছে।

রাষ্ট্র দক্ষভাবে ব্যবসায়ীদের তদারক করতে না পারায় বাজার অস্থির হচ্ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক . মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে বাজার সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। আবার তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থাও নেয়া যাচ্ছে না। এগুলোর মানেই হলো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় দুর্বলতা আছে। কোন ব্যবসা কারা নিয়ন্ত্রণ করছে তা কিন্তু মন্ত্রণালয়গুলো বা কর্তৃপক্ষ কারোরই অজানা নয়। তার পরও তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। আবার পণ্য আমদানির লাইসেন্সগুলো সব এক অঞ্চলকেন্দ্রিক হয়ে গেছে। সুযোগে ব্যবসায়ীরা তো সিন্ডিকেট করবেই। তাই কর্তৃপক্ষকে এখনই বুদ্ধিভিত্তিক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।

তবে ভোগ্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে রাষ্ট্রের তরফ থেকে সম্ভাব্য সবকিছুই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অনেক সময় পণ্য নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নেন। এর দায় এককভাবে কারো নয়, এর দায় সবার।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন