শনিবার | ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পণ্যবাজার

ভিয়েতনামের রাবার রফতানি বেড়েছে

বণিক বার্তা ডেস্ক

চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (জানুয়ারি-অক্টোবর) ভিয়েতনাম থেকে মোট ১৩ লাখ টন প্রাকৃতিক রাবার রফতানি হয়েছে, যা থেকে দেশটির আয় হয়েছে ১৮০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় খাতে দেশটির রফতানি আয় উভয়ই বেড়েছে যথাক্রমে দশমিক দশমিক শতাংশ। খবর সিনহুয়া।

ভিয়েতনাম কাস্টমসের জেনারেল ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, সময় দেশটি থেকে সর্বাধিক রাবার রফতানি হয়েছে চীনে। দেশটি থেকে রফতানীকৃত মোট রাবারের ৬৫ শতাংশের গন্তব্য ছিল বেইজিং। পণ্যটির অন্যান্য শীর্ষ ভোক্তা দেশের তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে ভারত উত্তর কোরিয়া।

এর মধ্যে শুধু অক্টোবরে দেশটি থেকে লাখ ৯২ হাজার ২৫ টন রাবার রফতানি হয়েছে, যা থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ২৪ কোটি ৯৩ লাখ ডলার। সময় রফতানি আয়ে দেশটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যথাক্রমে ২৭ দশমিক ২৬ দশমিক শতাংশ।

তবে একই সময় ভিয়েতনাম আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পণ্যটির আমদানিও বাড়িয়েছে। বছরের প্রথম ১০ মাসে দেশটি ৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার সমমূল্যের রাবার আমদানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক শতাংশ বেশি। দেশটির উত্তর কোরিয়া, জাপান কম্বোডিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি রাবার আমদানি করেছে।

শীর্ষ প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদনকারী দেশগুলোর অ্যাসোসিয়েশন এএনআরপিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বিশ্বজুড়ে মোট কোটি ৪০ লাখ টন প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদিত হয়েছিল, যা এর আগের বছরের তুলনায় দশমিক শতাংশ বেশি। তবে ওই সময় পণ্যটির বৈশ্বিক চাহিদায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখা দেয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়। গত বছর খাতে দশমিক শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে রাবারের বৈশ্বিক চাহিদা দাঁড়ায় উৎপাদনের সমপরিমাণ। এতে বাজারে চাহিদা অনুপাতে ৫৭ হাজার টন রাবারের সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয়।

ভিয়েতনামের কৃষি পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ ভিয়েতনামের ৯৬ লাখ হাজার ৪০০ হেক্টরজুড়ে রাবার গাছের আবাদ ছিল, যা ২০১৭ সালের শেষের দিকের তুলনায় শূন্য দশমিক শতাংশ কম।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন