বুধবার | জুলাই ১৫, ২০২০ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৭

টকিজ

‘আমি কাজে বিশ্বাসী’

রাইসা জান্নাত

মডেল, উপস্থাপক, অভিনেত্রী, ব্যবসায়ী আইনজীবী ঠিক এতগুলো পরিচয় যার, তিনি জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া। তবে মডেল হিসেবেই বেশি পরিচিত তিনি। ২০০৭ সালে মিস বাংলাদেশ খেতাব অর্জন করেন। ২০১২ সালে চোরাবালি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। এরপর প্রবাসী প্রেম, গ্যাংস্টার রিটার্নস, দ্য স্টোরি অব সামারাসহ বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেন। শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নাম-ডাক রয়েছে অভিনেত্রীর। কথা হয় তার কাজ আনুষঙ্গিক নানা বিষয় নিয়ে। তার সঙ্গে আলাপের কিছু অংশ পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো

মা সুদ রানা ছবিতে ক্যাপ্টেন রুপার চরিত্রে আপনাকে দেখা যাবেএমন গুঞ্জন উঠেছে। এর সত্যতা কতখানি?

বিষয়টি নিয়ে আমি এখন কিছু বলতে চাই না। ছবির কাজ শুরু হবে জানুয়ারিতে। কাজ শুরু হলে সবাই সবকিছু জানতে পারবে।

আন্তর্জাতিক মহলে আপনার পরিচিতি বেশ, সেদিক থেকে বলিউডে কোনো কাজের প্রস্তাব পেয়েছিলেন কি?

কয়েকটি ছবির প্রস্তাব পেয়েছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেগুলোয় কাজ করা হয়ে ওঠেনি। অনেক সময় সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরও কাজ করা সম্ভব হয় না। তবে ভবিষ্যতে যদি ভালো কাজের প্রস্তাব পাই, তাহলে করব। ভালো যেকোনো কাজেই আমার আগ্রহ। সেটা হতে পারে নাটক, চলচ্চিত্র, মডেলিং কিংবা উপস্থাপনা।

২০১৬ সালেভোগম্যাগাজিনের ভারতীয় সংস্করণের প্রচ্ছদে আপনাকে দেখা গেছে। সে সময়ের কিছু স্মৃতি নিয়ে জানতে চাই।

সেই সময় আমি . কামাল হোসেনের অধীনে ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করছিলাম। ভোগ ম্যাগাজিনে কাজের কথা অনেক দিন ধরেই হচ্ছিল। যেদিন আমাকে ডাকা হলো, আমি খুব চিন্তায় ছিলাম যে ছুটি পাব কিনা। কারণ আমি তখন সেখানে জব করছিলাম। সেই সময় ভোগে অংশগ্রহণের চেয়ে ছুটির বিষয়টি ছিল অনেক চিন্তার। এছাড়া যেদিন যাব, সেদিন বার কাউন্সিলে মাধ্যমিকের মার্কশিট জমা দেয়ারও দিন ছিল। আর আমার মার্কশিটও তোলা ছিল না। সেটা ছিল মাইলস্টোন কলেজে। সেদিনই ওখান থেকে মার্কশিট তুলে জমা দিয়ে তারপর রওনা হই। রকম অনেক ছোট ছোট স্মৃতি জড়িয়ে আছে কাজটির সঙ্গে। তবে সব বাধা কাটিয়ে ঠিকঠাকভাবে সব হয়ে গিয়েছিল। এজন্য আমি খুব খুশি ছিলাম। এখনো মনে পড়ে সেই সময়ের কথা। আর সত্যি বলতে, তখন আমি বুঝতে পারিনি কাজে মানুষ এত প্রশংসা করবে, আমাকে চিনবে, বুঝবে।

মডেলিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। যারা মডেলিং করতে আগ্রহী, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?

মডেলিং এখন এমন একটা জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে, যেখানে এটাকে পেশা হিসেবে নেয়া যায়। আমি দুই বছর আগেও একথা বলিনি। অন্যান্য পেশার মতো এখানেও অনেক পড়াশোনার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেকেরই ধারণা, পেশায় আসতে গেলে পড়াশোনার খুব একটা দরকার হয় না। কিন্তু আমি বলব, এখানে প্রচুর পড়াশোনার প্রয়োজন আছে। তাছাড়া মডেলিং পেশার সঙ্গে বয়সের একটা সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টা মাথায় রেখে সবার পড়াশোনা করা উচিত। এখানে দীর্ঘ সময় নিজেকে ধরে রাখা খুব কঠিন। আমি ১১-১২ বছর ধরে কাজ করছি। আমি আমার সময়ের কাউকেই এখন দেখতে পাই না। মডেলিংয়ে ৩৫ বা ৪০ বছর পর্যন্ত কাজ করা যায়। কিন্তু তারপর কী করা হবে, সেটা মাথায় রেখে পেশায় আসা উচিত।

মডেলিংয়ে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা কেমন?

সত্যি বলতে, বাংলাদেশ নাটক ছবির তুলনায় মডেলিংয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। আমরা এখন একটি উন্নয়নশীল দেশে বাস করছি। এখানে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান এগুলোর

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন