শুক্রবার | ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

খবর

মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদে চাকরি, রাজস্ব কর্মকর্তার ১৬ বছরের কারাদণ্ড

বণিক বার্তা অনলাইন

মুক্তিযোদ্ধার ভূয়া সনদে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার হিসেবে চাকরি নেয়া মো. মনিরুজ্জামানের ১৬ বছর কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার সাত নম্বর বিশেষ জজ মো. শহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত মনিরুজ্জামান মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার তেবাড়ীয়া গ্রামের মো. আব্দুস সামাদ ও মরিয়ম বেগম ওরফে ময়না বেগম দম্পতির ছেলে।

রায় সম্পর্কে ওই আদালতের দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রেজাউল করিম জেরা জানান, আদালত ১৬ বছর কারাদণ্ডের সাজার মধ্যে প্রতারণার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় ৭ বছর, প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতির অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪৬৮ ধারায় ৭ বছর এবং জাল বলে জেনেও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ চাকরি পেতে ব্যবহার করার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪৭১ ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। 

এছাড়া রায়ে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন। যা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। তবে রায়ে সকল ধারার সাজা এক যোগে কার্যকর তবে মর্মে আদেশ থাকায় আসামিকে ৭ বছর কারাদণ্ডই ভোগ করতে হবে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি মনিরুজ্জামান পলাতক ছিলেন। তাই রায়ে তিনি গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা গণনা শুরু হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত রায়ে বলেছেন, আসামি মনিরুজ্জামান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও তার বাবা মো. আব্দুস সামাদ এর নাম ঠিকানা ব্যবহার করে প্রতারণামূলকভাবে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদ তৈরি এবং নিজে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রত্যায়নসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র তৈরি করে তা দাখিল করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় চাকরি গ্রহণ করেন। যার মাধ্যমে তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছেন। তাই আসামি কোন অনুকম্পা পেতে পারেন না।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে মামলাটি দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে মামলাটিতে চার্জশিট দাখিল হয়। ওই বছরই আদালত আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন। 

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন