মঙ্গলবার | নভেম্বর ১২, ২০১৯ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬

দেশের খবর

দুর্যোগসহনীয় ঘর পেল বগুড়ার ১৭৮ পরিবার

বণিক বার্তা প্রতিনিধি বগুড়া

 বজ্রপাত নিরোধক দুর্যোগসহনীয় ঘর পেয়েছে বগুড়ার ১৭৮টি পরিবার দুর্যোগকালে বজ্রপাতে এসব ঘর তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সদর অফিসের কর্মকর্তারা

বগুড়া জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগসহনীয় আধুনিক বাসগৃহ নির্মাণ করা হয় প্রকল্পের আওতায় বগুড়ায় ১৭৮টি পরিবারকে গৃহ বরাদ্দ দেয়া হয় প্রতিটি ঘর নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, গৃহপরিচায়িকা, গৃহকর্মী, রিকশাভ্যানচালকরা এসব ঘর পেয়েছেন

সূত্রটি জানায়, সোনাতলা উপজেলায় ২১টি, সারিয়াকান্দিতে ১৯, শিবগঞ্জে ১৬, আদমদীঘি দুপচাঁচিয়ায় ১২টি করে, কাহালু শাজাহানপুরে ১১টি করে, নন্দীগ্রাম, শেরপুর গাবতলীতে ১৪টি করে, ধুনটে ১৮ এবং বগুড়া সদরে ১৬টি গৃহ নির্মাণ করা হয় গত ১৩ অক্টোবর জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ ঘরের চাবি সুবিধাভোগীদের হাতে হস্তান্তর করেন

বগুড়া সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৬টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসব ঘর নির্মাণ শেষে গত ১৩ অক্টোবর হস্তান্তর করা হয়েছে প্রতিটি ঘরে দুটি কক্ষ, দুটি বারান্দা, একটি রান্নাঘর, একটি করিডরসহ রয়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা এছাড়া থাকছে টিউবওয়েল সৌরবিদ্যুতের সুবিধা

বগুড়া সদর উপজেলার শেখেরকোলা ভাণ্ডারপাইকার জহুরা বেওয়া (৬০) বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন এতদিন থাকার মতো একটি ঘর ছিল না সরকারের উদ্যোগের ফলে এখন আমার একটি ঘর হয়েছে মারা যাওয়ার আগে একটি ভালো ঘরে থাকতে পারব

বগুড়া শেখেরকোলা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক কামরুল হাসান ডালিম বলেন, জহুরা বেওয়া তার ছেলে ছেলের বউসহ এক অন্ধ বোনকে নিয়ে নতুন বাড়িতে উঠেছেন স্বামী মারা যাওয়ার পর অনেক কষ্টে থাকতেন বাবার দেয়া জায়গায় ঝুপড়ি ঘরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বাড়ি পেয়ে তারা এখন স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবেন

রাজাপুর ইউপির খামারকান্দির রুবেল হোসেন দুই ছেলেমেয়ে স্ত্রী নিয়ে তার সংসার ভ্যান, রিকশা চালিয়ে চার শতক জায়গা কিনেছেন অনেক কষ্টে সেই জমিতে এবার উঠেছে পাকা বাড়ি

বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, সদর উপজেলায় ১৬টি বাসগৃহ নির্মাণ শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে সার্বক্ষণিক তদারকির মাধ্যমে কাজ শেষ হয়েছে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বগুড়া সদরে নির্মাণ করা ঘরগুলোও হস্তান্তর করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থায় তৈরি ঘরগুলো সহজে দুর্যোগে বা বজ্রপাতে ক্ষতি হবে না

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন