সোমবার | জুন ০১, ২০২০ | ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

শেষ পাতা

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

অধ্যক্ষ ছাড়াই ১১ বছর নেই স্থায়ী কর্মচারীও

দেবাশীষ দেবু সিলেট

২০০৫ সালে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ভবন। নগরীর উপকণ্ঠ আলুরতলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৮ সালে। এরপর পেরিয়েছে ১১ বছর। দীর্ঘ সময়েও অধ্যক্ষ নিয়োগ হয়নি কলেজটিতে। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কলেজটির অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান সিলেট পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ। প্রতিষ্ঠার এত বছরেও স্থায়ী কর্মচারীও পায়নি কলেজটি।

তথ্যমতে, কলেজটিতে বর্তমানে স্নাতক শ্রেণীতে প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীনে পড়াশোনা করছেন তারা। কিন্তু স্থায়ী অধ্যক্ষ না থাকায় নিয়মিতই প্রশাসনিক একাডেমিক নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। কারণ অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও সিলেট পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ সাধারণত নিজ প্রতিষ্ঠানেই অবস্থান করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, কলেজে স্থায়ী অধ্যক্ষ নেই। পলিটেকনিক্যালের অধ্যক্ষ কলেজেরও অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। কিন্তু তিনি এখানে খুব কমই আসেন। ফলে শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করতে হয়।

এছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ হিসেবে বিভিন্ন সার্টিফিকেট পেতেও ঝামেলায় পড়তে হয় বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। বিষয়ে তাদের ভাষ্য, আমরা দীর্ঘদিন থেকেই প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছি। সরকার থেকে বিভিন্ন সময় ব্যাপারে আশ্বাস দেয়া হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

স্থায়ী অধ্যক্ষ না থাকায় প্রশাসনিক কাজে নানা জটিলতা দীর্ঘসূত্রতা মোকাবেলা করতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন কলেজটির একাধিক কর্মকর্তাও। তারা জানান, শুধু স্থায়ীভাবে নিযুক্ত অধ্যক্ষ নয়, এখন পর্যন্ত স্থায়ী ভিত্তিতে কোনো কর্মচারীও নিয়োগ দেয়া হয়নি কলেজটিতে। মাস্টাররোলে কর্মরত ধারকর্য করে আনা কর্মচারীদের দিয়েই চলছে কার্যক্রম। কলেজটিতে বর্তমানে কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ রয়েছে ৮৫টি। এর বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৩১ জন। কর্মচারীদের সবাই চুক্তিভিত্তিক। স্থায়ী নিয়োগ পাননি কেউই।

শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পর প্রায় এক দশক এখানে শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে স্থায়ীভাবে

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন