রবিবার | মে ৩১, ২০২০ | ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

শেষ পাতা

জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংহতি সমাবেশ

বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান উপাচার্যের অপসারণ দাবি

বণিক বার্তা প্রতিনিধি জাবি

আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার পর গত মঙ্গলবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের যে ঘোষণা সিন্ডিকেট সভা থেকে দেয়া হয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। উপাচার্য অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল সংহতি সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেন তারা।

সংহতি সমাবেশে অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বর্তমানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারের নিয়োগকৃত ভিসি সরকারি ছাত্রসংগঠনের মাধ্যমে দুর্নীতি প্রকাশিত হয়েছে। এতদিন ধরে আন্দোলন চলে, অথচ সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি; তদন্ত কমিটি গঠন করেনি। আমাদের দাবি থাকবে আজকের মধ্যেই সমস্যা সমাধানে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এখন আর একাডেমিক গঠনতন্ত্র মেনে চলা হয় না। উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়া এখন সম্পূর্ণ সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, ছাত্রলীগ, সরকারি দলের রিপোর্টের ভিত্তিতে উপাচার্য নিয়োগ হয়ে থাকে। ভিসি নিয়োগ প্রাক্রিয়ায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাঁচানো যাবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলনের জন্য উপাচার্যকে দায়ী করে আনু মুহাম্মদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে যাদের দ্বারা শিক্ষার্থী নির্যাতন চলে, তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় ভিসি টিকে থাকতে চাচ্ছেন। ভিসির বিরুদ্ধে যে অপরিকল্পনা, অস্বচ্ছতা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে তিনি নিজেই আন্দোলনকে ভিসি পরিবর্তনের আন্দোলনে পরিণত করেছেন। উপাচার্যকে অপসারণের পাশাপাশি দুর্নীতির তদন্তসাপেক্ষে জড়িতদের যথাযথ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

এর আগে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনসংলগ্ন মুরাদ চত্বর থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হলের অবরুদ্ধ থাকা নারী শিক্ষার্থীদের বের করে আনে। পরে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি পুরনো রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে গিয়ে মিলিত হয়। পরবর্তী সময়ে রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে শতাধিক শিক্ষক পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সময় উপাচার্যপন্থী বলে পরিচিত অনেক শিক্ষককেও আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে দেখা

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন