শুক্রবার | ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পণ্যবাজার

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা

বণিক বার্তা প্রতিনিধি হিলি

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে দুদিন আগেও পেঁয়াজের বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে বাজারে সরবরাহ বেশি হওয়ায় গতকাল পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজে দাম ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ বাড়লে দাম আরো কমে যেতে পারে।

সরেজমিনে হিলি স্থলবন্দর বাংলাহিলি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ভারত থেকে আমদানীকৃত প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়, যা দুদিন আগে বিক্রি হয়েছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায়। এছাড়া মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ১১০ টাকায়, দেশী পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যেখানে দুদিন আগে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১২০ টাকায়, দেশীয় পেঁয়াজ ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। পাইকারির পাশাপাশি খুচরা বাজারে মানভেদে এসব পেঁয়াজ থেকে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজ কিনতে আসা সোহাগ হোসেন বলেন, আমরা হিলিবাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে থাকি। গত সপ্তাহে হিলি বাজার থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ কিনেছিলাম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। কিন্তু আজ পেঁয়াজ কিনলাম ১১০ টাকায়। শুনছি হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হবে। সেটি হলে দাম আরো কমে আসবে। ক্রেতারা তখন আরো কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

হিলি বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি অব্যাহত থাকায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ আগের তুলনায় খানিকটা বেড়েছে। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে, এমন প্রভাবে পেঁয়াজের বাজার কিছুটা কমতে শুরু করেছে। আমরা আশা করছি, আগামীতে পেঁয়াজের দাম আরো কমবে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মাহফুজার রহমান হারুন উর রশীদ বলেন, ভারতে পেঁয়াজের সংকট দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালে জন্য পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। এরপর থেকে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভারতের অভ্যন্তরে হাজার ৫০০ টনের মতো পেঁয়াজ আটকা পড়ে। কয়েক দফা বৈঠক শেষে গত অক্টোবর এক হাজার টন পেঁয়াজ রফতানি করে ভারত। ২২ অক্টোবর আরো ৫০ টন পেঁয়াজ রফতানি করে ভারত। তবে এখনো অনেক আমদানিকারকের পুরনো এলসির পেঁয়াজ আটকা রয়েছে। বিষয়ে আমরা ভারতীয় রফতানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি আমদানিকারকরা পুরনো অনেক এলসি সংশোধন করেছেন, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আমাদের কয়েকজন আমদানিকারক ভারতে অবস্থান করছেন। কিছুদিনের মধ্যেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এসব এলসির বিপরীতে পেঁয়াজ আমদানি করা গেলে বাজারে দাম আরো কমে আসবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন