রবিবার | ডিসেম্বর ০৮, ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সম্পাদকীয়

উন্নয়নের রোল মডেলের গায়ে কলঙ্কের দাগ কি মানায়?

আব্দুল বায়েস

বাংলাদেশের উন্নয়নকে বলা হয় উন্নয়ন ধাঁধা বা ডেভেলপমেন্ট প্যারাডক্স। গত দশকগুলোয় চোখ ধাঁধানো উন্নয়ন না হয়ে থাকলেও যতটুকু অর্জিত হয়েছে, তা চোখে ধাঁধা লাগার মতোই। কার কাছে? নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে, যারা জেনে বা না জেনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে শঙ্কিত ছিল; তারা ভাবতেও পারেনি যে কোনো একসময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পৃথিবীতে খবরহয়ে উঠবে, সাড়া জাগাবে।

প্রসঙ্গত মনে পড়ে গেল মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব হেনরি কিসিঞ্জারের কথা। তিনি স্বাধীনতার শুরুতে বাংলাদেশে এসে দেশটিকে তলাবিহীন ঝুড়িতকমা এঁটে দিয়েছিলেন। সম্ভবত তিনি পরোক্ষভাবে কথাটা বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, বাংলাদেশের জন্য সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে বাতি নেই। সেই কিসিঞ্জারের অনুসারীরা বাংলাদেশের এখনকার উন্নয়ন দেখে ভ্রু কুঁচকাবে না তো কী করবে! এটাই স্বাভাবিক। উন্নয়ন গবেষক ইউসট ফাল্যান্ড জে পারকিনসনের কাছেও আমাদের উন্নয়ন এক প্রকার ধাঁধা হিসেবে থাকবে। কেননা পঁচাত্তর সালে  প্রকাশিত এক বইয়ে ওই দুজন প্রক্ষেপণ করে বলেছিলেন যে বাংলাদেশ হচ্ছে উন্নয়নের টেস্ট কেস। অর্থাৎ সন্দেহের অবকাশ নেই যে এখানে উন্নয়ন সফল হলে অন্য কোথাও তা ব্যর্থ হবে না। অবশ্য তারা ২০০৭ সালে বাংলাদেশে এসে তাদের ভবিষ্যদ্বাণীর ভুল স্বীকার করে এটাও বলে গেছেন যে টেকসই উন্নয়ন বাংলাদেশের হাতের নাগালে, যদিও নিশ্চিত নয়।

যা- হোক, উন্নয়নসংক্রান্ত গোলকধাঁধায় আমরাও কিছুটা পড়িনি, তা বোধ হয় হলফ করে বলা যাবে না। কেউই আশা করতে পারিনি যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার চারের নিচ থেকে শতাংশ ছুঁই ছুঁই করবে; খাদ্য উৎপাদন তিন গুণ বাড়িয়ে দেশটি সরব দুর্ভিক্ষঠেকাতে সক্ষম হবে; সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি ওরাল স্যালাইন বিপ্লব শিশুমৃত্যুর হার ব্যাপক নামিয়ে আনবে; জনসংখ্যার বার্ষিক বৃদ্ধির হার অর্ধেকেরও বেশি নেমে আসবে এবং মোট প্রজনন হার থেকে -তে দাঁড়াবেস্কুলে মেয়েদের অন্তর্ভুক্তির হার প্রায় ১০০ শতাংশ এবং ছেলেদের চেয়ে বেশি; আয় দারিদ্র্যের প্রকোপ ৬০ থেকে ২৫ শতাংশে পৌঁছবে, ঘরে ঘরে মোবাইল সেট ইত্যাদি ইতিবাচক উন্নতি হবে। তাছাড়া নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের মতে, বাংলাদেশের অন্যতম অর্জন হচ্ছে কিছু আর্থসামাজিক নির্দেশকে বাংলাদেশ ভারতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে, যদিওবা মাথাপিছু আয়ের নিরিখে দেশটি ভারতের পেছনে রয়েছে। একসময় ভারতের গড়পড়তা প্রত্যাশিত জীবন বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ছিল আর এখন বাংলাদেশের মানুষ ভারতবাসীর চেয়ে পাঁচ বছর বেশি বাঁচে।

বিশেষত গেল এক থেকে দেড় দশকে প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণে বেশকিছু মেগা প্রকল্প হাতে নেয়, যার মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ অন্যতম। বাংলাদেশ চারদিকে চমক সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হারের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন শীর্ষে থাকা গুটিকয়েক দেশের অন্যতম।

সুখবরের এখানেই শেষ নয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের কলামিস্ট সদানন্দ ধুম লিখেছিলেন, Nearly 40 years ago, only the most reckless optimist would have bet on flood-prone, war-ravaged Bangladesh over relatively stable and prosperous Pakistan. But with a higher growth rate, lower birth rate, and a more internationally competitive economy, yesterday’s basket case may have the last laugh. (প্রায় ৪০ বছর আগে স্থিতিশীল সমৃদ্ধশালী পাকিস্তানের বিপরীতে একমাত্র সবচেয়ে বেপরোয়া বাজিকর বন্যাপ্রবণ যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ওপর বাজি ধরত। কিন্তু উচ্চতর প্রবৃদ্ধি, পড়ন্ত জন্মহার এবং অধিকতর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি নিয়ে গতকালের তলাবিহীন ঝুড়ি হয়তো শেষ হাসিটা হাসবে)

দুই

সব আশাব্যঞ্জক গল্পের একটা অন্ধকার দিক থাকে। আশা নিরাশার দোলাচলে আমরা প্রতিনিয়ত দোল খাই। বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রা তেমনি এক আলো-আঁধারির খেলা হিসেবে বোধ করি ভুল হবে না। একদিকে উন্নয়নের ফলে দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে অথচ অন্যদিকে ধনী-গরিব বৈষম্য ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনীতিবিদ হার্সম্যান রথচাইল্ড বলেছেন টানেল প্রভাবের কথা: বিদ্যমান কাঠামোতে আয়বৈষম্যের প্রতি যদি সহনশীলতা কম থাকে, তাহলে আগে বাড়া, পরে বিতরণএমন তত্ত্ব বিপজ্জনক হতে পারে। বাংলাদেশের বিদ্যমান বৈষম্য সহগ (জিনি সহগ) বিপত্সীমার কাছাকাছি। বৈষম্য বেশি হলে দারিদ্র্য নিরসনে প্রবৃদ্ধির প্রভাব খাটো থাকে। অর্থাৎ একই প্রবৃদ্ধির হার নিয়ে কম বৈষম্যের সমাজে দারিদ্র্য হ্রাসের হার বেশি হবে বেশি বৈষম্যের সমাজের চেয়ে।

অন্যদিকে আশা ছিল কুজনেটসের চুইয়ে পড়া প্রভাবতত্ত্ব (বা ট্রিকল ডাউন ইফেক্ট থিউরি) কাজে দেবে কিন্তু সে আশায় যেন গুড়ে বালি। ট্রিকল ডাউন ইফেক্ট বলতে চায়, প্রবৃদ্ধির প্রারম্ভিক স্তরে বৈষম্য বৃদ্ধি পায় কিন্তু পরবর্তীতে চুইয়ে পড়া সুফলে বৈষম্য হ্রাস পায়। সেটা খুব একটা কাজ করছে বলে মনে হয় না কিংবা ভবিষ্যতে করবে এমন ইঙ্গিত আপাতত নেই বলে মনে হয়। আর যদি ঘটেও থাকে, তা যে খুবই দুর্বল, সে কথা বলা বাহুল্য। এদিকে আবার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটছে ঠিকই কিন্তু তা কাম্য স্তরে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারছে না; ব্যক্তি বিনিয়োগ ঠায় দাঁড়িয়ে আছে এক জায়গায়।

চার দশকের বেশি সময় ধরে অবিশ্বাস্যতথা অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধাঁধার আড়াল-আবডালে অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে কালো এক অর্থনীতির (আন্ডার গ্রাউন্ড ইকোনমি) মূলত প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে অর্থনৈতিক শয়তানেরঅভাবনীয় আবির্ভাব ঘটেছে অন্ধকারে থাকা অর্থনীতি সরকারকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত রাখছে, রাজনীতিকে কলুষিত করছে, বিকৃত ভোগবাদী সমাজ সৃষ্টিতে জ্বালানি জোগাচ্ছে, সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটাচ্ছে। লেখাপড়ার উদ্দেশ্য এখন দুহাতে টাকা কামাই করা। মোটা দাগে, এটা টেকসই উন্নয়নের পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে।


ক্ষেত্রবিশেষে এর ভেতরে অথবা পাশাপাশি অবস্থান নিয়েছে সর্বব্যাপী চরম দুর্নীতি। যদিও দেশে দুর্নীতির ইতিহাস বেশ দীর্ঘ, তার পরও গত দশকগুলোয় রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে পুঁজিবাদ প্রসারণে উত্থান ঘটেছে একশ্রেণীর দাপুটে, ক্ষমতাবান দুর্নীতিবাজের। বলা যায়, সমাজের অভিভাবক এখন তারাই। দুর্নীতি প্রতি বছর জিডিপির শতাংশের মতো গিলে খায়। তাছাড়া প্রতি বছর দেশ থেকে অবৈধ পথে পাচার হয় গড়ে ৭০০-৮০০ কোটি ডলার; ২০০৬ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত নাকি হাজার কোটি ডলার পাচার হয়েছে বলা হচ্ছে। 

সারা অঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেব কোথায়। এমনকি রক্ষণশীল হিসাবেও ঋণখেলাপির পরিমাণ দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা। এদের একটা অংশ বিদ্যমান আইনের ফাঁকফোকরে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি। শেয়ারবাজার লুট করে উত্থান ঘটেছে একশ্রেণী ধনী মানুষের। দিনদুপুরে ব্যাংক ডাকাতির কথা আপাতত না-হয় থাক। তবে বলতেই হবে যে ঋণখেলাপি, অর্থ পাচারকারী কিংবা ব্যাংক ডাকাতদের বেশির ভাগ, দেশে অথবা বিদেশে, দাপটে সুখে আছে। অবৈধ অর্থ আর সম্পদের জোরে তারা কিনে নিয়েছে রাজনৈতিক নেতা, এমনকি মিডিয়া বুদ্ধিজীবীদের। 

অথচ নিয়তির নির্মম পরিহাস এই যে তাদের অনেকেই ১০-২০ বছর আগেও হিমশিম খেত সংসার চালাতে; কেউ ছিল পিয়ন, কেউ দিনমজুর। আনুক্রমিক সরকারগুলোর রাজনৈতিক    পৃষ্ঠপোষকতায় এরা হয়ে উঠেছে দানব; সমাজটাকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে তারা আজ আলোকিত, আলোচিত এমনকি মাঠে-ময়দানে অভিভাবক হিসেবে অভিভূত করে অভিভাষণে।  অর্থনীতির গ্রেসামস অনুযায়ী, মন্দ টাকা ভালো টাকাকে বাজার ছাড়া করে, তেমনি আজ সমাজে মন্দ লোক ভালো লোককে কোণঠাসা করে রাখছে। রাজনীতি কলুষিত হয়েছে কালো টাকায়; এদের অস্ত্রের ভাষা কেড়ে নিয়েছে আমজনতার ভাষার অস্ত্র। মানুষ বুঝে গেছে অর্থই সকল সুখের মূল; মূল্যবোধ আঁকড়ে থাকা দুর্বলের ধর্ম।

উন্নয়নের রোল মডেলের গায়ে এসব কলঙ্কের দাগ কি মানায়?

তিন

দুর্নীতির কালো থাবায় সমাজটা যখন ক্ষত-বিক্ষত, দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে গেছে, বলতে হয় ঠিক তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে চলছে ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযানের মতো একটা মহৎ পদক্ষেপ। অভিনন্দন আপনাকে প্রধানমন্ত্রী, ব্যাটার লেট দ্যান নেভার।

সবচেয়ে বড় কথা, শুদ্ধি অভিযান তিনি শুরু করেছেন তার দল থেকে। ওই অভিযানের ফলে কালো অর্থনীতির নায়কদের অভাবনীয় উত্থানের সম্যক নমুনা জাতির সামনে আজ উপস্থিত। পত্রিকার পাতা ওল্টালে অবৈধ উপায়ে অর্জিত ধনসম্পদ সম্পর্কে কিঞ্চিৎ ধারণা পাওয়া যায়। কারো কাছে শত শত কোটি টাকার এফডিআর, কোটি কোটি টাকার ব্যাংক-ব্যালান্স, ১০-১২টি ফ্ল্যাট, পাচার করা অর্থ দিয়ে বিদেশে আলিশান বাড়ি-গাড়ি, মোটা অংকের ব্যাংক-ব্যালান্স ইত্যাদি। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নে কালো অর্থের প্রভাব অনেক। ভাতের হাঁড়ির কটা ভাত টিপলেই যেমন বোঝা যায় ভাত সিদ্ধ হয়েছে কিনা, তেমনি চলমান অভিযানের ক্ষুদ্র নমুনা থেকে অনুমান করা যায় দেশব্যাপী অবৈধ সম্পদের পরিমাণ কত হতে পারে। শুধু ক্যাসিনো নয়, আরো অনেক কর্মকাণ্ডে অবৈধ অনৈতিক লেনদেন হয়, যা উইপোকার মতো উন্নয়নকে কুরে কুরে খাচ্ছে। আরেকটা কথা, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে ঠিকই কিন্তু তাকে টেকসই করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্কার তেমন হচ্ছে না বিধায় চায়ের কাপ আর ঠোঁটের মধ্যকার ব্যবধান থেকেই যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু বলতেন চাটার দল, শেখ হাসিনা বলেন উইপোকা, তা যে নামেই ডাকা হোক না কেন, উন্নয়নের সুফল খাচ্ছে উইপোকাএটা আজ দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।

চার

চলমান অভিযানের জন্য দেশের মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে বটে, তবে অভিযানের ফলে সংশয়মুক্ত হতে পারছে না কেউই। এর কারণ অতীতের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়। দুর্নীতি কালো অর্থনীতির শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত, বিশেষত  বর্তমান অতীতের ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, এমপি এবং সামরিক বেসামরিক আমলারাও এক্ষেত্রে কম যাননি বলে অভিযোগ আছে। প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা সত্ত্বেও এত বড় একটা সাদা বিপ্লবঘটবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকতেই পারে। তবে কথাও ঠিক, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ব্যতীত অন্য কারো পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ, অথচ মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য দরকার সাদা বিপ্লবঘটানো সম্ভব নয়।

আমরা আমজনতা কায়মনোবাক্যে দুর্নীতি কালো অর্থনীতির বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের সাফল্য কামনা করি। তার প্রধান কারণ, আমরা একটা সাদা সমাজচাই, যেখানে মেধাবী আর ভালো মানুষ রাষ্ট্র পরিচালনা করবে; অর্থ-সম্পদ প্রতিপত্তি যেখানে প্রভু না হয়ে চাকর থাকবে। আমরা বর্তমান অবস্থার তথা অমানিশার দ্রুত অবসান চাই।

অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে -পৃথিবীতে আজ,

যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা;

যাদের হূদয়ে কোনো প্রেম নেই-প্রীতি নেই-করুণার

আলোড়ন নেই

পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।

যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি

এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয়

মহৎ সত্য বা রীতি কিংবা শিক্ষা অথবা সাধনা

শকুন শেয়ালের খাদ্য তাদের হূদয়।

(কবি জীবনানন্দ দাশ)

 

আব্দুল বায়েস: সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন